সাইয়্যিদ তানভীর নদভী।।
দারুল উলূম নদওয়াতুল উলামা প্রতিষ্ঠালগ্ন হতেই আরবি ভাষা ও সাহিত্য পাঠদানের ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে আসছে। ইসলামি শিক্ষার পাশাপাশি যুগোপযোগী শিক্ষার ক্ষেত্রেও দারুল উলুম নাদওয়াতুল উলামার অবদান দিনের আলোর ন্যায় দীপ্তিমান।
আরবি ভাষা ও সাহিত্য মূলত কোরআন ও হাদিসের ভাষা। ইসলামি শরিয়তে কোরআন কারিমের পরেই হাদিসে নববি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অবস্থান। একজন আলেমের জন্যে কোরআনে কারিম ও হাদিসে নববি বুঝার ক্ষেত্রে আরবি শাস্ত্রজ্ঞান থাকা জরুরি। এরই ফলে একজন আলেম বুঝতে পারবে কুরআনে কারীম ও হাদিসে নববীর শাব্দিক অলঙ্কার৷ বৃদ্ধি পাবে ঈমানী শক্তি। নববি চেতনায় উদ্ভাসিত হবে মুমিনের হৃদয়। হবে সুশোভিত, আলোকিত৷ তাই হিন্দুস্তানে দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামা শুরু থেকেই আরবি ভাষা ও সাহিত্যকে একটি জীবিত ভাষার রূপে গুরুত্বের সাথে পাঠদান করে আসছে।
গত শুক্রবার বাদ মাগরিব নদওয়ার আরবি ইলমি পত্রিকা ‘আল বাছুল ইসলামি’র অফিসে দারুল উলুম নাদওয়াতুল উলামার সাবেক ছাত্র সাঈদ আহমদ খান নদভির লিখিত ‘ইযাযুল লুগাহ ফিল হাদিসিন নববি’ কিতাবের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে নদওয়ার সম্মানিত মুহতামিম ডক্টর মাওলানা সাঈদুর রহমান আজমি নদভী কথাগুলো বলেন৷
কিতাব ও কিতাবের লেখকের ভূয়সি প্রশংসা করে মাওলানা আজমি বলেন, অল্প বয়সী এই তরুণ আলেম সাঈদ আহমদ খান নদভি হাদিসের অত্যন্ত তাত্ত্বিক, শাব্দিক অলঙ্কার ও সাহিত্য নিয়ে চমৎকার এই বই আমাদের উপহার দিয়েছেন। অবশ্যই তিনি আমাদের সকলের পক্ষ থেকে মোবারকবাদ পাওয়ার উপযুক্ত। এটি রাসুলের হাদিসের মাহাত্ম্য সংক্রান্ত একটি অনবদ্য নতুন আঙ্গিকের আরবি বই। এ বিষয়ে সাধারণত কিতাব নজরে পড়ে না৷ সকল আলেমের জন্যই বইটি পড়া খুবই জরুরি৷ লেখককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনি গুরুত্বপূর্ণ একটি কিতাব রচনা করেছেন। এটি মাদরাসাসমূহের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার মত একটি কিতাব। আরবি ভাষা ও সাহিত্যের সাথে সম্পৃক্ত ছাত্র, শিক্ষক সবাইকে এটি অধ্যয়ন করা উচিত।
উপস্থিত নদওয়ার অন্যান্য শিক্ষকগণের মধ্য থেকে মাওলানা ইকবাল আহমদ নদভী লেখকের প্রশংসা করে বলেন, কিতাবের রচনা ও সুন্দর উপস্থাপনা যে কোনো পাঠককে মুগ্ধ করবে। বিষয়বস্তুর দিক থেকে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কিতাব বলা যায়। পাঠক কিতাবটি