মুহাম্মাদ ইশতিয়াক সিদ্দিকী, হাটহাজারী প্রতিনিধি।।
সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী ও যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু। এর প্রতিবাদ জানিয়ে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী আজ সংবাদমাধ্যমে এক বিবৃতি দিয়েছেন।
আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, শায়খুল হাদিস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী এদেশের তৌহিদি জনতার রাহবার ও আধ্যাত্মিক নেতা। তিনি এদেশের হাজার হাজার আলেমের সম্মানিত ওস্তাদ। তাকে হয়রানি কিংবা তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র করা হলে এদেশের লক্ষ লক্ষ তৌহিদি জনতা তা প্রতিহত করতে প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, হেফাজত কোনো তাণ্ডব চালায়নি; বরং সন্ত্রাসীদের দিয়ে গুপ্ত হামলার তাণ্ডব চালিয়ে রাজনৈতিকভাবে এখন হেফাজতকে দোষারোপ করা হচ্ছে। হাসানুল হক ইনুসহ অনেকে তদন্ত ছাড়াই হেফাজতের নামে অনবরত মিথ্যাচারপূর্বক হুমকি-ধমকি দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা কোনো ধরনের রক্তচক্ষুকে পরোয়া করি না। আমরা কোনো সংঘাত চাইনা, কিন্তু আমাদের উসকানি দিয়ে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে এর পরিণতি সরকারের জন্য ভালো হবে না।
আজিজুল হক ইসলামাবাদী আরো বলেন, হাসানুল হক ইনু পুলিশের গুলিতে শহিদ হওয়া ২১টি প্রাণের জন্য একটুও দুঃখপ্রকাশ করেননি! পুলিশ কর্তৃক সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের বিচার চাননি! শান্তিপূর্ণ হরতাল ও বিক্ষোভ মিছিলে কারা গুলি চালিয়ে পরিস্থিতিকে সহিংস করে তুলেছিল? হেলমেট পরে চাপাতি ও রামদা হাতে কারা পুলিশের সহযোগী হিসেবে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারী মুসল্লিদের ওপর হামলে পড়েছিল? সেসবের ভিডিও ফুটেজ ও ছবি দেখেছে সারা দেশের মানুষ। ২১ জন নিরীহ প্রতিবাদকারী নাগরিককে যারা শহিদ করেছে, তারাসহ ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের একদিন বিচার করা হবে ইনশাআল্লাহ।
আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, এতগুলো সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে, নিশ্চয়ই সেখানকার সিসি ক্যামেরাগুলোতে হামলার ভিডিও ফুটেজ থাকার কথা। সেগুলো তদন্ত করলেই প্রকৃত তাণ্ডবকারীদের