বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২০ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যৌথ অভিযান নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম নিয়মিত প্রক্রিয়া’ হবিগঞ্জে অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘট আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলা, নিহত ২২ মসজিদুল হারামের ধর্মীয় বিষয়ক উপপ্রধান নিয়োগ হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেসে নতুন নিয়ম, নির্দিষ্ট মেসেজে গুনতে হবে টাকা সৌদিতে ইসলাম অবমাননার মামলায় শ্রীলঙ্কান তরুণের মৃত্যুদণ্ড ‘প্রবীণদের আর্থিক নিরাপত্তা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার’ ভারতে প্রতিবাদ সত্ত্বেও ভেঙে ফেলা হলো ঐতিহাসিক মসজিদের অংশ বিশেষ ‘ইসলামী আইন সংরক্ষণ পরিষদ’ গঠন: আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু ১৫ অক্টোবর ফেনীর পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ইয়োসি কোহেনকে সরিয়ে মোসাদের নতুন প্রধান নিয়োগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ প্রধানের দায়িত্ব থেকে ইয়োসি কোহেনকে সরিয়ে নতুন গোয়েন্দা প্রধানের নাম ঘোষণা করেছেন দখলদার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। হামাসসহ ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামীদের সামরিক শক্তি সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থতার জন্য কোহেনকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের উপ-প্রধানকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। সোমবার রাতে এক ঘোষণায় নেতানিয়াহু বলেন, মোসাদের উপ-প্রধান ডেভিড বার্নিয়াকে ইয়োসি কোহেনের স্থানে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

৫৬ বছর বয়সি বার্নিয়া গত ২৫ বছর ধরে মোসাদে কাজ করছেন। নেতানিয়াহু সোমবার রাতে মোসাদের কিছু কর্মকর্তাকে প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার বিতরণের অনুষ্ঠানে বলেন, ইয়োসি কোহেন পদত্যাগ করছেন এবং ডেভিড বার্নিয়াকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে।

ইয়োসি কোহেন পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে মোসাদ প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই তার দায়িত্ব পালন করেছেন। আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক জোড়া-তালি দিতে কাজ করেছেন তিনি। গত বছর আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের সঙ্গে ইসরায়েল চুক্তিতেও তার ভূমিকা রয়েছে।

অপরদিকে ডেভিড বার্নিয়া ১৯৯৬ সালে মোসাদে যোগ দেন। কয়েক বছর ধরেই ইরানের বেশ কয়েকজন পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যার ঘটনায় ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়ী করে আসছে ইরান। তবে ইসরায়েল বরাবরই এসব হত্যাকাণ্ড অস্বীকার করে আসছে।

এদিকে সম্প্রতি গাজা উপত্যকায় ১১ দিনব্যাপী যুদ্ধ শেষে অস্ত্রবিরতি ঘোষিত হলে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনগুলো এ যুদ্ধে নিজেদের বিজয় ঘোষণা করে। হাজার হাজার ফিলিস্তিনি নাগরিক রাস্তায় নেমে বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে ইহুদিবাদী ইসরায়েলও এ যুদ্ধে বিজয়ের দাবি করে। তবে সেখানকার একজন নাগরিককেও রাস্তায় নেমে উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা যায়নি। কিন্তু তেল আবিবের বিজয়ের দাবি যে নিছক ফাঁকা বুলি ছিল তা মোসাদ প্রধানকে সরিয়ে দেয়ার ঘটনায় প্রমাণ হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমনকি ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামীদের সামরিক শক্তি সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থতার জন্য কোহেনকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে বলেই মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।

গাজা উপত্যকার আবাসিক ও বেসামরিক অবস্থানগুলোর ওপর ইসরায়েলি বিমà