বিশ্বব্যাপী বিজ্ঞানের অভাবনীয় উন্নতির কারণে আজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যথেষ্ট অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ফলে জীবনযাত্রার মানেও পরিলক্ষিত হচ্ছে অভাবনীয় পরিবর্তন। তথ্যপ্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের ফলে মানুষ যেমন উন্নতির স্বর্ণশিখরে আরোহণ করছে তেমনি তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে নিজেদের ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তথ্য-প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে তরুণরা কী ভাবছেন? বিষয়টি নিয়ে কয়েকজন্য উদিয়মান তরুণের সঙ্গে আলাপ করেছেন আওয়ার ইসলামের নির্বাহী সম্পাদক আবদুল্লাহ তামিম
প্রযুক্তির অপব্যবহার বন্ধ করা কঠিন কোন কাজ নয়। কেননা উন্নত বিশ্বে ইতোমধ্যেই নানান ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণে সাইবার জগতের অপরাধগুলো নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হচ্ছে। এখন আমাদের যা করতে হবে তা হচ্ছে উন্নত বিশ্বের পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করতে হবে এবং সেগুলোর কোন কোন দিকটি আমাদের দেশের সাইবার জগতের জন্য কার্যকরি ভূমিকা রাখবে তা নির্ধারণ করতে হবে। কথাগুলো বলছিলেন, মালয়েশিয়ার মাসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ও প্রযুক্তি প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী বশির ইবনে জাফর।
উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার সোশাল মিডিয়ায় নির্দিষ্ট একটি টিমের মনিটরিং সেল গঠনের কথা বলা যায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি টিম সার্বক্ষনিক সোশাল মিডিয়ায় কটুক্তি, গুজব প্রচার, কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করা, অশ্লীলতাকে প্রোমোট করে কোন কন্টেন্ট পাবলিশ করা সহ অপরাধজনিত যেকোন কর্মকাণ্ডের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।
এটি তারা করে তাদের ইনবক্সে আসা অভিযোগগুলোর প্রেক্ষিতে। কেননা একটি টিমের জন্য পুরো সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং সম্ভব নয়। সুতরাং ব্যবহারকারীরা যারাই এর ভুক্তভোগী হবেন তাদের হয়ে যে কেউ অভিযোগ দিতে পারবেন এবং অতি দ্রুততার সাথে তার সমাধানে কার্যকরি ভূমিকা রাখবে সেই টিম।
তবে মনে রাখতে হবে টেকনোলজি বা প্রযুক্তিজনিত অপরাধ কখনোই শতভাগ রোধ করা সম্ভব নয়, আর তাই সবচেয়ে বেশি যে পদক্ষেপটি নিতে হবে তা হচ্ছে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মিডিয়ায় বিভিন্ন কন্টেন্ট প্রচার করা।
প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যাপারে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন, ফাতেহ টোয়েন্টিফোরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রাকিবুল হাসান।
তিনি বলেন, তথ্য-প্রযুক্তির দু’টি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ইতিবাচক ও নেতিবাচক। এ কথা সত্