আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামেগঞ্জে। পরিস্থিতির ভয়াবহতায় উচ্চঝুঁকিতে রাজশাহী, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলা। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ১১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এদিকে রোগীর চাপে হাসপাতালগুলোতে হিমশিম অবস্থা।
করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে খুলনা বিভাগের সীমান্তবর্তী জেলাগুলাতে। লকডাউনেও থামানো যাচ্ছে না আক্রান্তের হার। করোনা হটস্পট রাজশাহীতেও মৃত্যু ও সংক্রমণের হার আগের মতোই। আর রোগীর চাপ সামলাতে দিশেহারা হাসপাতালগুলো। তৈরি হয়েছে শয্যা ও অক্সিজেন সংকট। নিচে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন জেলার করোনার চিত্র তুলে ধরা হলো-
রাজশাহী:
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১২ জন ও উপসর্গে ৫ জনের মত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে রাজশাহীর ১০ জন, ৩ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জের, নাটোরের ২ জন, নওগাঁর একজন ও পাবনার একজন করে। হাসপাতালটিতে গত দুদিনে ৩৯ জনের মৃত্যু হলো। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৭৬ জন করোনা রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
কুষ্টিয়া:
কুষ্টিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মারা যাওয়া সাত জনের মধ্যে চারজন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার এবং বাকি তিন জন দৌলতপুর, কুমারখালী এবং মিরপুর উপজেলার বাসিন্দা। এ পর্যন্ত ২১৮ মারা গেছেন। ৩৪২ নমুনা পরীক্ষায় ১৩৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৪০ দশমিক ০৫ শতাংশ।
চুয়াডাঙ্গা:
চুয়াডাঙ্গায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা সবাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯৪ জন।
কিশোরগঞ্জ:
কিশোরগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তি বাজিতপুর উপজেলার বাসিন্দা। একই সময়ে ৩১৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৯৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তদের মধ্যে ৫৪ জনই কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার। এর পরই ভৈরবে ১৭ জন। এ ছাড়া হোসেনপুরে ২ জন, করিমগঞ্জে ৭ জন, পাকুন্দিয়ায় ৩ জন, কটিয়াদীতে ৫ জন, পাকুন্দিয়ায় একজন, কটিয়াদীতে ৫ জন, কুলিয়ারচরে ৫ জন ও বাজিতপুরে দুজন শনাক্ত হয়।
সাতক্ষীরা:
সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারা সবাই সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের করোনà