সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয় সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির একজন শ্রমিক, অন্যজন ওমরাহ যাত্রী  গাজায় খাদ্যসংকটে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি, সহায়তা কমাচ্ছে ডব্লিউএফপি  এবার চট্টগ্রাম বিভাগের ইমাম-খতিবদের জন্য আস-সুন্নাহর বিশেষ প্রশিক্ষণ

আগস্টের শেষের দিকে ইবির অনলাইন পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। সেই থেকে বন্ধ রয়েছে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

কভিড শুরুর দিকে বিভাগগুলোতে নামমাত্র অনলাইনে ক্লাস চললেও তা এখন বন্ধ। এদিকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা আটকে আছে দীর্ঘদিন। পরীক্ষা না হওয়ার কারণে বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা হতে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা।

এমতাবস্থায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ অনলাইনে পরীক্ষা দিতে চান। তবে অনলাইন পরীক্ষা নিয়ে অন্য বর্ষের শিক্ষার্থীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

অনলাইনে পরীক্ষার বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম প্রতিবেদককে বলেন, অনলাইনে পরীক্ষার বিষয়টি নিয়ে আমরা একটা নীতিমালা করে সব বিভাগে পাঠিয়ে দিচ্ছি। নীতিমালার আলোকে বিভাগগুলো থেকে প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। সেটা পেলে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তি আকারে পরীক্ষার রুটিন জানিয়ে দেওয়া হবে। এতে সপ্তাহ দুইয়ের মতো সময় লেগে যাবে।

গত ২৮ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ও মাস্টার্সের পরীক্ষা সশরীরে ও অনলাইনে গ্রহণের নির্দেশনা দেয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এতে স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলে পরীক্ষার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশনা দেন।

সে মোতাবেক পরীক্ষার বিষয়ে গত ১৯ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পরীক্ষা নেওয়ার বিষয়টি স্ব-স্ব বিভাগের উপর ছেড়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট বিভাগ চাইলে সশরীরে কিংবা অনলাইনে পরীক্ষা নিতে পারবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি টেকনিক্যাল কমিটি করে দেওয়া হয়। টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এবং কমিটির পরামর্শক্রমে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে ওই সভায় অধিকাংশ বিভাগ সশরীরে পরীক্ষা গ্রহণের পক্ষে সুপারিশ করেছিলেন।

সভা পরবর্তীকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছে। গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমানকে প্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

টেকনিক্যাল কমিটি অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পরামর্শ জানতে স্ব-স্ব অনুষদীয় ডিনদের চিঠি দেয়। সেই মেতাবোক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগসমূহ নিজেদের সক্ষমতা ও প্রক্রিয়ার বিষয়গুলো ডিনদের কাছে জমা দেয়। বিভাগ থেকে ডিন অফিস হয়ে এসব পরামর্শ বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারকদের টেবিলে। গতকাল সেই নীতিমালা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি চূড়ান্ত নীতিমালা করেছে। যা প্রত্যেক বিভাগে পাঠানো হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হতে আরও দুই সপ্তাহ লাগবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ