সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
বালিশের পাশে ফোন রেখে ঘুমান? জেনে নিন যেসব ঝুঁকি রয়েছে ঠাকুরগাঁওয়ে হাতপাখার প্রচার রিকশা ভাঙচুর, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি দিল্লির রেসকোর্স মসজিদ ও কবরস্থান রক্ষার দাবি জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের ‘সমাজে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় ইমামদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ’ ‘মাওলানা হাবীবুর রহমানের ভূমিকা বাংলাদেশের ইসলামি আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে’ ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৪ জনের, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ বাচ্চাদের দুষ্টুমি কমাতে কোরআন-হাদিসের আমল ও করণীয় সৌদিতে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বাংলাদেশির একজন শ্রমিক, অন্যজন ওমরাহ যাত্রী  গাজায় খাদ্যসংকটে ১৪ লাখ ফিলিস্তিনি, সহায়তা কমাচ্ছে ডব্লিউএফপি  এবার চট্টগ্রাম বিভাগের ইমাম-খতিবদের জন্য আস-সুন্নাহর বিশেষ প্রশিক্ষণ

ভুয়া কোম্পানির নামে ১৩০০ কোটি টাকা লুট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভুয়া কোম্পানির নামে ঋণ নিয়ে ফাস ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

কম্পিউটারে নামসর্বস্ব ২০টি কোম্পানির প্যাড বানানো হয়েছে। আদতে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো অস্তিত্বই নেই। ভুয়া এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ আবেদন করে ফাস ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। দুদকের অনুসন্ধানে এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির ১২ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে এসেছে এ জালিয়াতির তথ্য।

ফাস ফিন্যান্স ইনভেস্টম্যান্ট লিমিটেড একসময় শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ছিলো। ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি ১ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা ঋণ দিয়ে বিপাকে পড়ে। এই টাকা আর ফেরত আসে না। গ্রাহকের আমানতের টাকা দিতেও হিমশিম খায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি। পরে ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ এনে প্রতিষ্ঠানটির ওপর দুদকে একটি প্রতিবেদন পাঠায় বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই প্রতিবেদনের আলোকে অনুসন্ধানে নামে দুদক।

সম্প্রতি দুদকের অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে, বর্ণ এন্টারপ্রাইজ, এনবি, মেরিন ট্রাস্ট, মুন ইন্টারন্যাশনাল, হাল ইন্টারন্যাশনাল, দ্রিনান এন্টারপ্রাইজসহ ২০টি প্রতিষ্ঠানের নামে ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ফাস ফিন্যান্স থেকে ঋণের নামে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। যেসব কোম্পানির প্যাড ব্যবহার করা হয়েছে তার সবই ভুয়া।

এই জালিয়াতির ঘটনায় সোমবার প্রতিষ্ঠানটির সহকারী ব্যবস্থাপক নিয়াজ আহমেদ ফারুকী, দীপক কুমার চক্রবর্তীসহ ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধানের নেতৃত্বে একটি টিম। জিজ্ঞাসাবাদে তারা বলেছেন, পরিচালনা পর্ষদসহ ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশে ঋণ দেয়া হয়েছে।

দুদক সচিব জানিয়েছেন, জালিয়াতির তথ্যপ্রমাণ এখন তাদের হাতে। এ ঘটনায় পলাতক পিকে হালদারের দায় আছে কি-না তাও খতিয়ে দেখছে দুদক।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ