শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬ ।। ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
১০০ রাকাত নামাজ পড়িয়েও ‘হেদায়েত’ করা গেল না তাকে! জমিয়তের খাস কমিটির বৈঠক, ত্রাণ ফান্ডে সহযোগিতার আহ্বান ‘ইসলামি গবেষণাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হবে’ ইসলামী আন্দোলনের লালমনিরহাট জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ‘জুলাই চেতনার কথা বলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চালানো দ্বিচারিতা’ বন্যা দুর্গতদের পাশে আলেম, ইসলামি সংগঠন ও দাতব্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইমামুল হিন্দের নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস অন্যায়: মাওলানা আরশাদ মাদানী ‘আল-মুঈন ত্রাণ তহবিলে’ উদারহস্তে সহযোগিতার আহ্বান হাটহাজারীর মুহতামিমের ঢাকায় ‘ইমামুল হিন্দ শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলভী (রহ.) কনফারেন্স’ অনুষ্ঠিত দুই দশক পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা, মাওলানা সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর কড়া প্রতিক্রিয়া

বিডিএসে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় ‘অ-আদিবাসী’ শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রফিকুল ইসলাম জসিম স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত দেশের ডেন্টাল কলেজ ও মেডিক্যাল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটে (বিডিএস) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় ‘অ-আদিবাসী’ শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করা হয়। বিবৃতিতে আদিবাসী কোটায় অ-আদিবাসীরা কীভাবে স্থান পায়, তার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়ার দাবি জানানো হয়।

বিডিএসে ভর্তির জন্য নির্ধারিত ‘আদিবাসী কোটা’য় আবারও অ-আদিবাসী শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়েছে অভিযোগ করে বিবৃতিতে বলা হয়, গত ১২ সেপ্টেম্বর বিডিএস (ডেন্টাল) কোর্সে শিক্ষার্থীদের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়। ভর্তির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিডিএস কোর্সে আদিবাসীদের জন্য পাঁচটি আসন সংরক্ষিত।

এই পাঁচ আসনের মধ্যে পার্বত্য এলাকার আদিবাসীদের জন্য তিনটি এবং অন্য আদিবাসীদের জন্য দুটি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করার কথা। পার্বত্য এলাকার তিন আসনে সঠিক নিয়মেই শিক্ষার্থী মনোনীত হলেও অন্য আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত দুই আসনে (কোড-৭৭) মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বাঙালি শিক্ষার্থীদের। এই ভর্তি পরীক্ষায় সমতলের আদিবাসীদের মধ্যে ১৫ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হলেও তাদের কাউকেই ভর্তির জন্য মনোনীত করা হয়নি। কৃতকার্যদের মধ্যে পাঁচজন সাঁওতাল, চারজন গারো, তিনজন মণিপুরী, দু'জন ওরাঁও এবং একজন হাজং জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী রয়েছেন।’

বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, সমতল আদিবাসীদের জন্য ৭৭ কোডে নির্ধারিত দুজন আদিবাসী শিক্ষার্থীর জায়গায় অ-আদিবাসী শিক্ষার্থীকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে ‘ম ও আ’ অদ্যাক্ষরে নামের ওই অ-আদিবাসী দুই শিক্ষার্থীর নাম ও রোল নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দুজনের একজনকে স্যার সলিমুল্ল্যাহ মেডিক্যাল কলেজের ডেন্টাল ইউনিট এবং অন্যজন সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। এই দুই শিক্ষার্থীর কেউই বাংলাদেশ সরকারের গেজেটভুক্ত ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর (আদিবাসী জাতিসত্তার) সদস্য নয় বলেও বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

বিশিষ্ট নাগরিকেরা অবিলম্বে এসব রোলধারী অ-আদিবাসী শিক্ষার্থীদের ভর্তির তালিকা থেকে বাদ দিয়ে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য নির্বাচিত করে তালিকা প্রকাশ করার জোর দাবি জানান।

তারা বলেন, ‘আদিবাসী কোটায় শুধু আদিবাসী শিক্ষার্থীদেরই নির্বাচন করতে হবে। আদিবাসী কোটায় নির্বাচিত অ-আদিবাসী শিক্ষার্থীদের ফলাফল বাতিল করে সেসব আসনে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নির্বাচন করে পুনরায় ফলাফল প্রকাশ করতে হবে। এই অনিয়ম বন্ধ হওয়া জরুরি।’

বিবৃতিতে সুলতানা কামাল, পঙ্কজ ভট্টাচার্য, রামেন্দু মজুমদার, ডা. সারওয়ার আলী, ডা. ফওজিয়া মোসলেম, ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদার, খুশী কবির, রোকেয়া কবির, এস.এম.এ সবুর, রানা দাশ গুপ্ত, এম. এম. আকাশ, রোবায়েত ফেরদৌস, পারভেজ হাসেম, দীপয়ন খীসা, আব্দুর রাজ্জাক, এ কে আজাদ, অলক দাস গুপ্ত, বিভূতী ভূষণ মাহাতো, কাজী আব্দুল মোতালেব জুয়েল ও গৌতম শীলের নাম উল্লেখ করা হয়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ