বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের ঘটনায় আইনের কোনও ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল সম্প্রীতির বন্ধনে ৪৫ বছর, নড়াইলে গা ঘেঁষে অবস্থান মসজিদ-মন্দিরের কুমিল্লায় বৃত্তি প্রদান ও আল্লামা নুরুল হক (রহ.)-এর স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান

করোনা চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার প্রথম কার্যকরি পিল নিয়ে এসেছে মার্কিন ওষুধ কোম্পানী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রথম কার্যকর অ্যান্টিভাইরাল পিল নিয়ে এসেছে মার্কিন ওষুধ কোম্পানি মার্ক। কোম্পানিটি বলছে, তাদের তৈরি ওষুধ মলনুপিরাভির ভয়াবহ ঝুঁকিতে থাকা কভিড রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার বা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার হার ৫০ শতাংশ কমিয়ে আনতে সক্ষম।

গতকাল শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মার্ক জানিয়েছে, সহযোগী রিজেবাকের সঙ্গে মিলে তারা যুক্তরাষ্ট্রে এ ওষুধের জরুরি ব্যবহারের অনুমতি চাইবে। পাশাপাশি অন্যান্য দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছেও মলনুপিরাভিরের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন চাওয়া হবে। পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই এ ওষুধের তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালের ইতি টেনেছে মার্ক।

কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রবার্ট ডেভিস বলেন, কভিডের চিকিৎসা নিয়ে সব আলোচনাই এ ওষুধ বদলে দেবে।

মলনুপিরাভির তৈরি করা হয়েছে এমনভাবে, যা ভাইরাসের জেনেটিক কোডে পরিবর্তন আনবে। জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন পেলে মলনুপিরাভির হবে কভিড চিকিৎসার প্রথম অনুমোদিত মুখে খাওয়ার অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. রবার্ট শেফার বলেছেন, এ পিলটি সারাবিশ্বের হাজার হাজার মানুষের জীবন বাঁচাবে বলে আশা করা যায়।

একজন কভিড রোগীকে দৈনিক দুইবার ৪টি করে ৫ দিন এ ক্যাপসুল খেতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার ইতোমধ্যে মার্কের ১৭ লাখ পিল কিনে নিয়েছে। একজন রোগীর জন্য এতে খরচ হবে ৭০০ ডলার।

প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানি রোশ ও ফাইজারও কভিডের মুখে খাওয়ার ওষুধ তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত তারা কেবল অ্যান্টিবডি ককটেল তৈরি করতে পেরেছে, যা নিতে হয় শিরায় ইনজেকশনের মাধ্যমে। সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস ও রয়টার্স

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ