মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

‘‌আল্লামা আহমদ শফীর মিশন বাস্তবায়নে কাজ করেছিলেন আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ‘আল্লামা আহমদ শফীর (রহ.) বিস্তৃত কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়নে যে কজন মানুষ নিবেদিত হয়ে কাজ করেছিলেন আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া (রহ.) ছিলেন তাদের অন্যতম।  আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া (রহ.) ছিলেন আল্লামা আহমদ শফীর (রহ.) প্রতিবিম্ব। তিনি মূলত আল্লামা আহমদ শফীর (রহ.) মিশন বাস্তবায়নেই কাজ করে গেছেন আজীবন’।

বৃহস্পতিবার ফেনী জেলার সর্বস্তরের আলেম-উলামাদের অংশগ্রহনে পদুয়া কাসেমুল উলুম মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে বক্তারা এসব কথা বলেন।

এদিন বিকাল তিনটা হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমীর ও হাটহাজারী মাদরাসার মোহতামিম শাইখুল ইসলাম আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) ও ফেনী জেলা হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমীর, জহিরিয়া মসজিদের খতিব এবং পদুয়া কাসেমুল উলুম মাদরাসার মোহতামিম আল্লামা আবুল কাসেম ভুঁইয়া (রহ.) এর জীবনকর্ম শীর্ষক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ফেনী জামেয়া রশীদিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম আল্লামা মুফতী শহীদুল্লাহ, ফেনী জামেয়া মাদানীয়ার মুহতামিম মুফতি সাইফুদ্দীন, ওলামাবাজার মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মুফতি শিব্বীর আহমদ, নূরপুর মুহিউসসুন্নাহ মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস মাওলানা আবদুর রাজ্জাকসহ ফেনী জেলার শীর্ষ আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আল্লামা আহমদ শফী (রহ.) ও আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া (রহ.) এর শুভানুধ্যায়ী শীর্ষ আলেমরাও অংশ নেন। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়ার (রহ.) ছেলে ও পদুয়া কাসেমুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম ড. মাওলানা কামরুল ইসলাম ভুঁইয়া।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিগত দুই বছরে আমরা হারিয়েছি নক্ষত্রতুল্য অনেক আলেম। আমাদের মাথার ‍ওপর থেকে সরে গেছে তাদের ছায়া। হুট করে আমাদের সামনে নিভে গেছে তাদের আলোকবর্তিকা। তাই শূন্যতা অনুভব হচ্ছে চারদিকে। সঙ্কটে আমাদেরকে সুস্থির রাখার মতো অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছি আমরা। যাদের হারিয়েছি, তাদের মধ্যে অন্যতম দুজন হলেন শাইখুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী এবং আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়া (রহ.)। তারা দুজন ছিলেন উসতাদ-শাগরিদ।

লিখিত বক্তব্যে ড. মাওলানা কামরুল ইসলাম ভুঁইয়া বলেন, আল্লামা আহমদ শফীর (রহ.) সঙ্গে আল্লামা আবুল কাসেম ভূঁইয়ার (রহ.) পীর-মুরিদের সম্পর্কের চেয়েও পারিবারিক সম্পর্ক ছিলো বেশি। আল্লামা শাহ আহমদ শফী (রহ.) বলতেন, আমার তিন ছেলে- ইউসুফ, আনাস , কাসেম। সর্বশেষ যখন তিনি ভারতের অ্যাপোলো হসপিটালে চিকিৎসা নিতে যান, তখন মাওলানা আসজাদ মাদানী তাকে জিজ্ঞেস করেন, আপনার ছেলে কয়জন। তিনি বলেন, তিনজন। ইউসুফ, আনাস, কাসেম। তখন উপস্থিত সবাই বিস্মিত হয়।

দোয়া মাহফিলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মাইনুদ্দীন রুহি, আঞ্জুমানে দাওয়াতে ইসলাহ'র সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী নাসির উদ্দিন কাসেমী, নাজিরহাট জামিয়া ফারুকিয়ার মোহতামিম মাওলানা সলিমুল্লাহ, মাওলানা শামসুদ্দিন আফতাব মাওলানা আসআদ মাদানী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আরো পড়ুন: দুই মনিষীর স্মরণে ফেনীতে দোয়া মাহফিল

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ