মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিশুদের বইমুখী করতে মেলায় ইসলামি বই কিনছেন অভিভাবকরা নেপালে টানা বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসে ৪ দিনে ২১ জনের মৃত্যু বাংলাদেশসহ ২০ দেশের ওষুধে শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪  আল্লাহর নৈকট্য পেতে প্রতিদিন পড়ুন ৮ নফল নামাজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ ‘বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি’ পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম

যেভাবে মুসলিম হলেন ১৩ বছরের মার্কিন কিশোরী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মাত্র ১৩ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেছে মার্কিন কিশোরী ইফ কায়েরা। এত অল্প বয়সে তার ইসলাম গ্রহণে বিস্ময় সৃষ্টি করেছে বহু মানুষের মনে। কিশোর বয়সে সে কিভাবে ইসলামের পথে এলো—এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘আমি সব সময় মুসলিমদের ব্যাপারে আগ্রহী ছিলাম।

বিশেষত মুসলিম দেশ ভ্রমণের পর আমার ভেতর কৌতূহল জাগে যে মুসলিম নারীরা কেন হিজাব পরিধান করে? বিষয়টি নিয়ে আমি গবেষণা করি এবং অধ্যয়ন অব্যাহত রাখি। এভাবে আমি ইসলাম সম্পর্কে যা জানতে পারি তা আমার হৃদয়কে মোহিত করে। আমি বিভিন্ন বিশেষ দিনে হিজাব পরিধান করতাম। এরপর মুসলিম বন্ধুদের কাছ থেকে ইসলাম সম্পর্কে আরো জানতে থাকলাম। এভাবে আমি ধীরে ধীরে ইসলামের পথে আসি।’

ইসলাম গ্রহণের আগে থেকেই কায়েরা হিজাব পরিধান করে। পশ্চিমা সমাজে বসবাস করলেও হিজাব পরিধানের ব্যাপারে তার মনে কোনো দ্বিধা নেই। কায়েরা বলে, ‘হিজাব পরিধানের অনুভূতি অবশ্যই ভিন্ন। তবে এটা ঠিক, আমি স্বেচ্ছায় হিজাব পরিধান করেছি। কারো পক্ষ থেকে কোনো ধরনের চাপ ছিল না। প্রকাশ্য চাপ তো ছিলই না। পরোক্ষ চাপও ছিল না।

যেমন বর্তমান সমাজে নারীদের মেকআপ করা, চুলে স্টাইল করার বিষয়ে পরোক্ষ সামাজিক চাপ থাকে। আমার ক্ষেত্রে তেমন কিছুই নেই। মূলত আমি নিজেকে নিয়েই ভাবতে ভালোবাসি, নিজেকে নিয়ে থাকতে ভালোবাসি। মানুষ আমাকে নিয়ে কী ভাবল এবং কিভাবে দেখল তা নিয়ে আমি চিন্তিত নই।’

কায়েরার ইসলাম বিষয়ে কৌতূহল, অধ্যয়ন ও ইসলাম গ্রহণ কোনো কিছুতেই বাধা দেননি তার মা-বাবা; বরং মেয়েকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। কায়েরার মা সায়েরা এ বিষয়ে বলেন, ‘মেয়ের জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তথা মুসলিম হওয়ার ব্যাপারে বলব, আমরা সব সময় গুরুত্ব দিয়েছি সে যেন নিজের জীবনের পথ নিজে ঠিক করে নেয়। সে যখন আমাকে জানাল যে সে ইসলাম বিষয়ে অধ্যয়ন ও গবেষণা করছে, আমরা তাকে সমর্থন দিলাম। সে কোরআন পাঠ করত।’

আর কেনই বা দেবেন, যখন তিনি দেখছেন ইসলাম অনুশীলনের সঙ্গে সঙ্গে মেয়ের ভেতর ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে? সায়েরার ভাষ্য হলো, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আমরা তার ভেতর অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন ও অগ্রগতি দেখি। সে যখন নিজের পথে (ইসলাম) যাত্রা শুরু করল, আমরা তখনো তাকে সমর্থন দিই। তাকে সহযোগিতা করতে পেরে আমি আনন্দিত।’ মেয়ের দেখাদেখি মা সায়েরাও এখন কোরআন পড়তে শুরু করেà