মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

মহানবী সা. কে নিয়ে কটূক্তির মামলায় তিনজনের ১০ বছর কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পাবনার আতাইকুলায় হযরত মুহাম্মদ সা. কে নিয়ে অবমাননাকর প্রচারণার ঘটনায় দায়রকৃত মামলায় তিনজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালত। একই মামলায় প্রত্যেককে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওই মামলার অপর ৭ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

সোমবার দুপুরে আড়াইটার দিকে রাজশাহীর সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

পরে আদালতের নির্দেশে আসামিদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আমিনুল এহসান, জহিরুল ইসলাম ও খোকন। এদের মধ্যে খোকন পলাতক।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ইসমত আরা জানান, ২০১৩ সালের ২ নভেম্বর রাজীব নামের এক ব্যক্তির ফেসবুক আইডি থেকে মহানবী সা. কে কটূক্তি করে ছবি আপলোড করা হয়। এতে মুসলিমরা হিন্দু ধর্মাবলম্বী রাজীবের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর করে আগুন দেয়। পরে পুলিশ বাদী হয়ে এ ঘটনায় ৫৭ ধারায় মামলা করে।
তবে ঘটনার পুলিশি তদন্তে জানা যায়, আসামি আমিনুল এহসান তার ফটোকপির দোকান থেকে মহানবীকে কটূক্তি করা ছবি ফটোকপি করে বিক্রি করে। আরেক আসামি খোকন আসামি জহুরুলের কম্পিউটারের দোকান থেকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী রাজীবের ফেসবুকে তা আপলোড করে প্রচার করে। মামলার অন্যতম আসামি আমিনুল এহসান আদালতে ১৬৪ ধারায় এ বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। এরপর ওই বছরের ৩ নভেম্বর পুলিশ ১০ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়।

চাঞ্চল্যকর এই মামলাটি ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে বিচার কাজ শুরু হয়। পরে ওই বছরের ১১ নভেম্বর মামলাটি বিচারের জন্য রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে স্থানান্তর করা হয়। পরে আদালতে ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে সোমবার দুপুরে বিচারক জিয়াউর রহমান ১০ জন আসামির মধ্যে তিনজনকে দশ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বাকি ৭ জনকে বেকসুর খালাস দেন।

-এএ