মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘যারা মসজিদের ক্ষতি করতে চায় তারা নিজেরাই ধ্বংসের মুখে পতিত হয়’ ইমামকে হেনস্তা ও জোরপূর্বক পদত্যাগ করানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন মিসরে মুফতি ওয়াজেদ আলীকে সংবর্ধনা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সন্তানদের সন্দেহজনক ওয়েবসাইট থেকে দূরে রাখতে বললেন সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি শুক্রবার বাজারে আসছে শায়খ আহমাদুল্লাহর নতুন বই বিকেএম রাজবাড়ী জেলা শাখার মাসিক নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত চাঁদাবাজি-সন্ত্রাস রোধে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কায় নতুন সড়ক চালু, ওমরাহযাত্রীদের যাতায়াতে সময় কমবে ৯০ শতাংশের বেশি ঠাকুরগাঁও-১ আসনে হাতপাখার প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ‘হাফপ্যান্ট নিয়ে সতর্কতার জবাবে পাল্টা কর্মসূচি সুস্থ প্রতিবাদ নয়’

বরগুনায় নির্বাচনী সংঘর্ষে আহত ১৬

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বরগুনা সদর উপজেলার এম. বালিয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিন চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে এম. বালিয়াতলী ইউনিয়নের মনসাতলী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে ৭ জনকে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল ইসলাম নাসির, আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ বারী বাদল ও ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সারোয়ার শাহিনের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে এ ত্রিমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধারে যাওয়া একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাঙচুর করে বিক্ষুব্ধরা।

আহতদের মধ্যে- কামাল (৩৫), হানিফ (২৭), সাদেম চৌকিদার (৬৫), হানিফ ফকির (৫৫), কাওছার (১৯), সোহাগ (২৭) এবং সোহাগের (২১) নাম জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এম. বালিয়াতলী ইউনিয়নের মনসাতলী স্কুল মাঠে নৌকা প্রতীকের পথসভায় ভাঙচুর চালায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ বারী বাদলের কর্মীরা। এতে নৌকা প্রতীকের কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ বারী বাদলের কর্মীদের এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১১ জন আহত হয়।

পরে নৌকা প্রতীকের ক্ষিপ্ত কর্মীরা ওই ইউনিয়নের ঘোড়া প্রতীকের অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সারোয়ার শাহিনের প্রচার গাড়িতে হামলা চালায়। এরপর সেখানেও সংঘর্ষ বাঁধে। এতে আহত হয় ৫ জন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম তারিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে বাবুগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনে। বরগুনা থেকেও অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

-এএ