বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


রায়বেন্ড ইজতেমার প্রথম পর্ব থেকে দাওয়াতের মেহনতে বের হলো ২০২৯ জামাত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম।। বিশ্ববাসীর হেদায়াত কামনা করে গতকাল রোববার মাওলানা ইবরাহিম দেওলার দোয়ায় শেষ হয়েছে রায়বেন্ড ইজতেমার ১ম পর্ব। ইজতেমা থেকে মোট জামাত বের হয়েছে ২০২৯টি।

রায়বেন্ডের ফেসবুক পেজের দেয়া তথ্য মতে এক সালের বিদেশি জামাত বের হয়েছে ৩৪টি। এক সালের দেশি জামাত বের হয়েছে ৮০টি। তিন চিল্লার জামাত বের হয়েছে ১৪৩টি। এক চিল্লার জামাত বের হয়েছে ১৩৯৮টি। তিন দিনসহ অল্পকিছুদিনের জামাত বের হয়েছে ১১৪টি। বিদেশি মেহমানদের জামাত বের হয়েছে ২৪৫টি। মিশ্রিত জামাত ছিলো ৫৫টি।

গত ৪ তারিখ বৃহস্পতিবার শুরু হয়ে রোববার আখেরী মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়েছে পাকিস্তানের রায়বেন্ড ইজতেমার ১ম পর্ব। আলমি শুরার সব তাবলিগের মুরব্বিদের উপস্থিতিতে এ ইজতেমা শুরু হয়। আগামী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে নভেম্বর মাসের ১২ ১৩ ও ১৪ তারিখ।

১ম পর্বের আখেরী মুনাজাতের পূর্বে মাওলানা ইবরাহিম দেওলা বয়ানে বলেন, দাওয়াত দিতে হবে বিশ্বাসের সাথে, নমনিয়তার সাথে। নবিওয়ালা কাজের জন্য নবিওয়ালা গুণ প্রয়োজন। ইলম ও জিকিরের সাথে দাওয়াত দিতে হবে। ইলম ও জিকির যদি দাওয়াতের মধ্যে না থাকে তাহলে সে দাওয়াতে প্রাণ থাকবে না। ইবাদতের মাধ্যমে দাওয়াত দিতে হবে। শুধু মানুষকে দাওয়াত দিলেই হবে না। দাওয়াত দেয়ার আগে নিজে সবচেয়ে বেশি আমল করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, ব্যবসা রাসুল সা এর সুন্নাত। এ ব্যবসার মাঝেও তুমি সুন্নাহ মুতাবেক আমল করে দাওয়াত দিতে পারো। ঠিক তেমনই আদাব মুয়াআমালাত মুয়াশারাত এর মধ্যে সুন্নাত মত আমল করে দাওয়াত দিতে হবে। শুধু মুখে নয় বেশির থেকে বেশি আমল করে দাওয়াত দিতে হবে। তোমার মুখে দাওয়াত দিয়ে যতটা না লাভবান হবে তার চেয়ে বেশি তোমার আমলের মাধ্যমে বেশি দাওয়াত হবে।

এর আগে এ ইজতেমায় যোগ দিতে হাজার হাজার মুসল্লি অংশ নিয়েছেন বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশ থেকে। তাবলিগ জামাত কয়েক বছর আগে বিভিন্ন শহরের অংশগ্রহণকারীদের দুটি দলে বিভক্ত করে দুই ধাপে ইজতিমা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে গত দুই বছরে বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা ইজতিমায় অংশ নিতে পারেনি। তবে ইন্দোনেশিয়া, ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, আফগানিস্তান, ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে এ বছর ইজতিমায় অংশ নিয়েছেন।

এদিকে সরকারের পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। যদিও তাবলিগের জামাতের