শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পেলো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মালোশিয়াতে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পাওয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ  অবশেষে খালাস পেয়েছেন। গাঁজা পাচারের দায়ে বছরচারেক আগে তিন কেজি ৮৭৫ গ্রাম গাঁজা পাচারের দায়ে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশটির আপিল আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন।

আপিল বিভাগ জানিয়েছে, একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল বিভাগের ছাত্র মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ খানের আপিল যুক্তিক ছিল। তার কক্ষে গাঁজা রাখার বিষয়টি তিনি জানতেন বলে প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষ ব্যর্থ হয়েছে। বিচারপতি হানিফাহ ফারিকুল্লাহর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ রায় দিয়েছেন।

রায়ে বিচারপতি হানিফাহ জানান,  আত্মপক্ষ সমর্থন করে মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ বলেছেন যে তার হোটেল কক্ষে মাদকের একটি ব্যাগ পাওয়া গেলেও সেটি জাওয়াদ নামের আরেক শিক্ষার্থীর ছিল। জাওয়াদ থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ।গাঁজাসহ হাবিবুল্লাহ গ্রেপ্তার হওয়ার পর জাওয়াদ আত্মহত্যা করেছেন।

হানিফাহ বলেন, মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহকে দোষী সাব্যস্ত করে রাষ্ট্রপক্ষ যেসব তথ্যপ্রমাণ হাজির করেছেন, তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বেঞ্চের বাকি দুজন হলেন, বিচারপতি চি মোহাম্মদ রুজিমা গাজালি ও মারিয়ানা ইয়াহইয়া।

রায়ে বলা হয়েছে, হোস্টেল ওয়ার্ডেন শাজেরীন কামারুদ্দিনের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে রায় দিয়েছেন নিম্ন আদালতের বিচারক। ওয়ার্ডেন বলেছিলেন, তার কাছে অভিযোগ স্বীকার করেছিলেন হাবিবুল্লাহ । আর মামলার প্রমাণ হিসেবে ওই সাক্ষ্য গ্রহণ করা আইনগতভাবে নিম্ন আদালতের বিচারকের ভুল ছিল।

আপিল বেঞ্চের বিচারক বলেছেন, ওয়ার্ডেনের জবানবন্দি মোটেও গ্রহণযোগ্য ছিল না, কারণ তাকে সঠিক প্রশ্নগুলোই বিচারক করেননি। হাবিবুলকে ১৯৫২ সালের বিপজ্জনক মাদক আইনের ৩৯(বি)(১) ধারায় অভিযুক্ত করা হয়েছিল। এই ধারায় কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তার শাস্তি হয় মৃত্যুদণ্ড।

মামলার শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী হিস্যাম তেহ পোহ তেইক যুক্তি দিয়েছিলেন, ওয়ার্ডেন শাজেরীন কামারুদ্দিন যে সাক্ষ্য দিয়েছেন, তা রাষ্ট্রপক্ষের অন্য সাক্ষীদের সাথে মেলে না।

-এডব্লিউ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ