মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী।।
দেশের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক সংগঠন "হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ" ও "আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওত বাংলাদেশে"র মহাসচিব এবং ঢাকাস্থ খিলগাঁও মাখযানুল উলূম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শাইখুল হাদীস আল্লামা নূরুল ইসলাম জিহাদী রহ. গত ২৯ নভেম্বর (সোমবার) ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।)
আল্লামা নূরুল ইসলাম রহ. ছিলেন বিদগ্ধ ও বিজ্ঞ আলেমেদ্বীন, ঈমানী চেতনার এক মশালবাহী সিপাহসালার ও দরদী অভিভাবক। তিনি ছিলেন আকাবিরে দেওবন্দের একজন বিরল অনুসারী। তাঁর মতো ইলমী প্রজ্ঞা, আধ্যাত্মিক চেতনা, নৈতিক কর্তব্যপরায়ণতা, মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক সম্প্রীতি, অতিথিপরায়ণতা, বিনয়, ভদ্রতাসহ বহু উন্নত বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল এমন গুণী মানুষের সংখ্যা সমাজে খুবই কম। প্রখর মেধা, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, সূক্ষ্ম চিন্তার অধিকারী ছিলেন তিনি।
তার ধৈর্য্য, কর্মদক্ষতা এবং স্থিরতা ছিল অনন্য। যার জ্বলন্ত প্রমাণ—তার দ্বীনের প্রতি আত্মত্যাগ ও পাহাড়সম ধৈর্য এবং বিভিন্ন প্রান্তিকতা ও চতুর্মুখী ষড়যন্ত্র সত্ত্বেও ধৈর্য্যের সাথে দ্বীনের পথে অটল থেকে তার বুদ্ধিবৃত্তিক দুঃসাহসিক অভিভাবকত্ব, যা আমাদের মুগ্ধ করেছে।
।। এক নজরে বর্ণাঢ্য জীবন ।।
তিনি ১৯৪৮ সালে চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানাধীন ধুরুং গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম জনাব আব্দুর রশীদ।
প্রাথমিক জীবনে তার পড়ালেখা শুরু হয় নাজিরহাট বড় মাদরাসায়। সেখানে তিনি পবিত্র কুরআনুল কারীমের হিফযসহ হেদায়াতুন্নাহু জামাত পর্যন্ত অত্যন্ত মেধা ও প্রজ্ঞার সাথে অধ্যয়ন করেন। অতঃপর তিনি উম্মুল মাদারিস দারুল উলূম হাটহাজারীতে চলে আসেন। সেখানে তিনি তাঁর সম্মানিত ওস্তাযদের সুহবতে থেকে অত্যন্ত সুনামের সাথে অধ্যয়ন করেন এবং ১৯৭৪ সালে হাটহাজারী মাদরাসা থেকে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) সমাপ্ত করেন।
পড়ালেখা শেষ করার পর তিনি চট্টগ্রামের কৈয়গ্রাম মাদ্রাসা, বাবুনগর মাদ্রাসা এবং ঢাকার আশরাফুল উলূম বড় কাটারা মাদরাসায় দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেন। অতঃপর ১৯৮৪ সালে তিনি রাজধানী ঢাকার অন্তর্গত খিলগাঁà¦