শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘মুফতি সাঈদ আহমদ পালনপুরী রহ. ছিলেন ইলম ও আমলের অনন্য সাধক’ উস্তাদদের জন্যও স্মার্টফোন ব্যবহার সীমিত করার পরামর্শ শায়খে যাত্রাবাড়ীর বিয়ে নিবন্ধনে আসছে নতুন নিয়ম বিকেএম ঢাকা দক্ষিণের দিনব্যাপী সদস্য প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত গ্রিসের পাহাড়ের মার্বেল যেভাবে শীতল করল মসজিদে নববীর প্রাঙ্গণ প্রতিবাদকারীকে নয়, অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর হোন: গাজী আতাউর রহমান জাতীয় শ্রমিক কাউন্সিল সফল করার আহ্বান ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী একই বছরে তিন ঈদ, দুই হজের সম্ভাবনা! ইসলামী আন্দোলনের কাতার কেন্দ্রীয় কমিটির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবই ছাপা নিয়ে সংকট কাটছে না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ০২২ সালের স্কুল পর্যায়ের সব শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে দেয়ার পাঠ্যবই ছাপা নিয়ে একের পর এক তৈরি হচ্ছে সংকট।

নির্ধারিত সময়ে সব বই ছাপানো সম্ভব হবে কিনা সে সংশয় তো রয়েছেই। তার ওপর যেসব বইয়ের মুদ্রণ শেষ হয়েছে তাতে ব্যবহার করা হয়েছে নিুমানের কাগজ। ছাপার মানও অত্যন্ত নিম্ন।

প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়ার যে ধারা তৈরি করেছে সরকার, এ বছর সে ধারাবাহিকতা কতটা রক্ষা করা যাবে- তা নিয়ে সংশয় কাটছেই না। ১০ কোটি ৩৫ লাখ বইয়ের মধ্যে প্রাথমিকের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণীর প্রায় ১কোটি বই ছাপা চলছে। কিছু কিছু বই পৌঁছাতে শুরু করেছে উপজেলায়। এসব বই ঘেঁটে দেখা গেছে, এনসিটিবির দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাগজ ব্যবহার করা হয়নি। এক পৃষ্ঠার ছবির ছাপ চলে গেছে অপর পৃষ্ঠায়। কোথাও কোথাও ছড়িয়ে পড়েছে রঙ, ছবিও ঝাপসা।

প্রকাশকরা বলছেন, এসব বই ছাপাচ্ছে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কচুয়া প্রিন্টার্স ও নোয়াখালীর অগ্রনী প্রিন্টার্স। এই দুই প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত বই ছাপার কার্যাদেশ দিতেই সক্ষমতা সংক্রান্ত নতুন সংশোধনীও আনে এনসিটিবি। বই ছাপানোয় কাগজের মানসহ কোন শর্ত লংঘিত হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা বলে জানান এনসিটিবি চেয়ারম্যান। জানুয়ারির প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছানো হবে বলেও আশাবাদী তিনি।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ