শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সপ্তাহের শেষেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি কার্যকর হওয়ার দাবি ট্রাম্পের ইরানের খার্গ দ্বীপ কেড়ে নেওয়ার হুমকি ট্রাম্পের খেলাফত আন্দোলন ঘুরে ফের ইসলামী আন্দোলনে নান্নু মুন্সী গাইবান্ধার সেই মূর্তি স্থাপনের কাজ বন্ধ ঘোষণা চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন

পরাজিত হয়ে মসজিদ ভেঙে নেওয়ার অভিযোগ ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে হেরে ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের জমিতে টিনের তৈরি একটি মসজিদ ভেঙে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বহুরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে।

গোলাম কিবরিয়া সেলিম উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুতুব উদ্দিনের ছেলে।

নির্বাচনে হেরে তার মসজিদ ভেঙে নেওয়ার ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়।

স্থানীয়রা জানান, ২০১৬ সালে উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে গোলাম কিবরিয়া সেলিম নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের দিকে ওই ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের জমিতে টিন দিয়ে একটি মসজিদ তৈরি করেন চেয়ারম্যান। গত ১১ নভেম্বর নির্বাচনে তিনি বিদ্রোহী প্রার্থী নুরে আলম মুক্তার কাছে হেরে যান। হেরে যাওয়ার ক্ষোভে গত মঙ্গলবার তিনি টিনের তৈরি মসজিদটি ভেঙে ট্রাকে করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন গ্রামবাসী।

মসজিদের পাশের বাসিন্দা সরোয়ার আলম বলেন, মসজিদটি ভেঙে নেওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। এতে ইউনিয়নবাসীর সম্মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি কাজটি ভালো করেননি। ওই স্থানে আমরা গ্রামবাসী মিলে একটি পাকা মসজিদ স্থাপন করব।

নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান নুরে আলম বলেন, বিজয়ী হওয়ার পর আমি এখনো শপথ নেইনি। ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের ওয়াকফ করা জমিতে যেহেতু এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল অতএব ওই মসজিদ ভেঙে নেওয়ার অধিকার ওই চেয়ারম্যান সাহেবের নেই। আমরা ওই স্থানে একটি পাকা মসজিদ নির্মাণ করব।

এবিষয়ে গোলাম কিবরিয়া সেলিম বলেন, আমার খালাতো ভাই ইব্রাহিম হোসেনের ব্যক্তিগত টাকায় ওই নামাজখানাটি টিন দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। গত কয়েক মাস ধরে ওই স্থানে কেউ নামাজ আদায় করছেন না। খালাতো ভাইয়ের অনুমতি নিয়েই ওই নামাজখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ