মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর বইমেলায় শাপলা কর্নার পরিদর্শন করলেন ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপি মাওলানা নুরুল ইসলাম খাঁনকে দেখতে হাসপাতালে জমিয়ত নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে নিখোঁজ মাদরাসা ছাত্রকে পাওয়া গেল চাঁদপুরে, নেপথ্যে যে কারণ আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ায় দুই দিনব্যাপী সিরাতুন্নবী মাহফিল শুরু ১৩ নভেম্বর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি

পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে ঠান্ডাজনিত রোগীর চাপ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে গত কয়েক দিন ধরে বেড়েই চলছে শীতের প্রকোপ। উত্তর দিক থেকে আসা হিমালয়ের হিম বাতাস আর ঘন কুয়াশার কারণে জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শীতের প্রকোপ বৃদ্ধির সঙ্গে দিন দিন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত নানা রোগ।

জ্বর, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিনই পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে ভর্তি হচ্ছে রোগীরা। তবে সবেচেয়ে বেশি রোগী পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, গত কয়েক দিনের রোগীর চাপে হাসপাতালে তিল পরিমাণ জায়গা ফাঁকা নেই। হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। হাসপাতালে শয্যা না পাওয়ায় বারান্দা এবং মেঝেতেই চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন অনেকেই। শিশুদের সঙ্গে বৃদ্ধরাও আক্রান্ত হচ্ছেন ঠান্ডাজনিত রোগে।

শিশুদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসা মায়েদের টিকিট বিভাগে দেখা গেছে লম্বা লাইন। অনেকেই বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফিরছেন। তবে বেশির ভাগ শিশুকেই চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হচ্ছে। ১০০ শয্যার পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে শিশু শয্যা রয়েছে মাত্র ১৬টি৷ কিন্তু ১৬ জনের বিপরীতে প্রতিদিন ৫০-৬০ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে। এছাড়াও প্রতিদিন বহির্বিভাগে থেকে আড়াই শতাধিক শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। হাসপাতালের মাত্র একজন শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দিয়ে চলছে চিকিৎসাসেবা। এতে রোগী ও রোগীর স্বজনদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, সময় মতো কিংবা প্রয়োজনে নার্সদের ডাকলে পাওয়া যায় না। এছাড়াও পর্যাপ্ত খাবার ও ওষুধ সরবরাহ দেওয়া হয় না। অনেকে এখানে কাঙিক্ষত চিকিৎসা না পেয়ে পার্শ্ববর্তী জেলা ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুরে চিকিৎসার জন্য যাচ্ছে।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ