আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বিশ্বের সপ্তম বৃহৎ ডেটা সেন্টার এখন বাংলাদেশে। গাজীপুরের কালিয়াকৈরের হাইটেক সিটিতে ৭ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে এই জাতীয় তথ্যভাণ্ডার বা ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষণে এখন আর বিদেশের ডেটা সেন্টারের দ্বারস্থ হতে হবে না।
তথ্যের সুরক্ষায় দরকার হবে না বিদেশি প্রযুক্তিবিদ। এরই মধ্যে এই ডেটা সেন্টারে নিজেদের তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে বছরে সাশ্রয় হচ্ছে ৩৫৩ কোটি টাকা।
এমনকি হাতছানি আছে অন্যান্য দেশের তথ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের। ইতোমধ্যে উচ্চমানের নিরাপত্তা নিশ্চিতের কারণে আন্তর্জাতিক অনেক প্রতিষ্ঠান এখন এই তথ্যভাণ্ডার ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপরেখা ঘোষণা করেন। সেই রূপরেখা বাস্তবায়নেই গাজীপুরের হাইটেক সিটিতে নির্মাণ করা হয়েছে অত্যাধুনিক মানের এই জাতীয় তথ্যভাণ্ডার। দেশের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত নিরাপদে সংরক্ষণ ও নিরবচ্ছিন্ন গুণগত মানসম্পন্ন ই-সেবা নিশ্চিতে এই প্রতিষ্ঠান এখন গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখছে।
এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৬০০ কোটি টাকারও বেশি। রাষ্ট্রায়ত্ত সব গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যেমন ব্যাংক, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, নির্বাচন কমিশন, ভ‚মি জরিপ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, এটুআই (এক্সেস টু ইনফরমেশন) প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য-উপাত্ত এরই মধ্যে এই তথ্যভাণ্ডারের আওতায় এসেছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জাতীয় তথ্যভাণ্ডার নির্মাণের কারণে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত সংরক্ষণের ক্ষমতা বেড়েছে। পাশাপাশি নিশ্চিত হয়েছে তথ্যের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতিও পেয়েছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকারি-বেসরকারি খাতের তথ্য সংরক্ষণের জন্য বড় পরিসরে ডেটা সেন্টারের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার
কাউন্সিল ‘ফোর টিয়ার ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার’ স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করে। জনপ্রশাসনে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কাজের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়ানো, তথ্য সংরক্ষণ ও জনগণের দোরগোড়