বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮


নিজ বাড়িতে হত্যার শিকার মুসলিম ছাত্রনেতা, পশ্চিমবঙ্গজুড়ে প্রতিবাদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতার আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আনিস খান নিজ বাড়িতে হত্যার শিকার হওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ চলছে রাজ্যজুড়ে। বিভিন্ন ইস্যুতেই আন্দোলন করা এই ছাত্রনেতার হত্যার ঘটনায় বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন।

এর আগে শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার আমতা থানার বাসিন্দা আনিস খানকে তার নিজ বাড়িতে গিয়ে অজ্ঞাত কয়েকজন লোক হত্যা করে।

পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের পোশাক পরা লোকেরা তিন তলা থেকে ফেলে আনিসকে হত্যা করেছে৷

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ২৮ বছর বয়সী এই যুবককে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হচ্ছিল৷ তবে স্থানীয় পুলিশকে জানালেও এই বিষয়ে তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

ভারতের সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (এনআরসি) প্রতিবাদে আন্দোলনসহ একাধিক আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলেন আনিস। নিজের এলাকার জনস্বাস্থ্য আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার এক জলসা থেকে বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই চার ব্যক্তি আসে তার খোঁজে। পরিবার জানায়, আগতদের একজন পুলিশের পোশাকে ছিলেন। অপর তিনজন ছিলেন সিভিক পুলিশের পোশাকে।

বারবার গেট খোলার অনুরোধ করলে আনিসের বাবা এক সময় খুলে দেন গেট৷ চারজনের তিনজন দ্রুত চলে যান তিন তলায়৷ আনিস তখন বারান্দায় বসে কানে হেডফোন লাগিয়ে মোবাইল ফোনে কিছু একটা শুনছিলেন৷
পরিবারের দাবি, রাত তিনটার দিকে ওই দুই ব্যক্তি তিন তলায় উঠে আনিসের মাথায় প্রথমে আঘাত করে, তারপর তিনতলা থেকে ফেলে দেয়৷

পরে পরিবারের পক্ষে থেকে সংবাদমাধ্যমকে আরো জানানো হয়, বারবার ফোন করা সত্ত্বেও আমতা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় ছয় ঘণ্টা পরে৷ ময়নাতদন্ত পরিবারের সবার অনুপস্থিতিতে করানোর অভিযোগও উঠেছে৷

আনিসের পরিবারের অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পুলিশের পোশাক পরে চার জন ব্যক্তি তাদের বাড়িতে আসেন৷ তাদের তিনজন সিভিক ভলান্টিয়ার ও এক জন খাকি পোশাকে ছিলেন। খাকি পোশাক পরা ব্যক্তি নিজেকে আমতা থানার অফিসার পরিচয় দিয়ে আনিসের বাবাকে আটকে রাখেন। বাকিরা দ্রুত চলে যান তিনতলায়। একটু পরে ছাদ থেকে কিছু একটা পড়ার শব্দ পান পরিবারের লোকেরা৷ তারপরই সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে ওই পুলিশের পোশাক পরা ব্à