বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড়

নেত্রকোনায় রেস্তোরাঁর শি'শু শ্র'মিককে পি'টিয়ে হ*ত্যার অভি'যোগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নেত্রকোনার শহরে একটি রেস্তোরাঁয় ঝগড়ার জেরে শিশু শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে অপর শিশু শ্রমিকের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার রাতে শহরের বড়বাজার এলাকায় সালতি নামে ওই রেস্তোরাঁয় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু শ্রমিকের নাম ঈসমাইল (১৪)। সে সদর উপজেলা রৌহা ইউনিয়নের বড়গাড়া গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে।

এদিকে এ ঘটনায় আল মামুন নামে অপর এক কর্মচারীকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, কনা আক্তার ও তার ছেলে ইসমাইল শহরের বড়বাজার এলাকার সালতি রেস্তোরাঁয় দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। মঙ্গলবার কাজ শেষে মা কনা আক্তার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়িতে ফিরে যান। ছেলে কাজ শেষে হোটেলেই থেকে যায়।

রাত পৌনে ৯টার দিকে ওই হোটেলের কর্মচারী আল মামুনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি নিয়ে ইসমাইলের ঝগড়া লাগে। একপর্যায়ে ইসমাইলকে বেধড়ক মারধর করে লাথি মেরে সিঁড়িতে ফেলে দেয় আল মামুন। এতে ইসমাইল অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে তাকে রাতেই নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে নেত্রকোনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শেষে আল মামুনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

রেস্তোরাঁ মালিক রাজু আহমেদ বলেন, ওই দুই শিশু শ্রমিক ঝগড়া লেগে মারামারি করলে একজন গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নিলে শিশুটি মারা যান।

নিহত শিশুর মা কনা আক্তার বলেন, আমিও একই হোটেলে কাজ করি। কাজ শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়িতে চলে যাই। যাওয়ার সময় আমার কাছ থেকে ২০ টাকা খাওয়ার জন্য রাখে। আমি বাড়িতে গেলে খবর পাই আমার ছেলেকে মেরে ফেলছে। হত্যাকারীদের আমি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।

নেত্রকোনা থানার পরিদর্শক তদন্ত সোহেল রানা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এক শ্রমিককে আটক করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ