মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
নেপালে টানা বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসে ৪ দিনে ২১ জনের মৃত্যু বাংলাদেশসহ ২০ দেশের ওষুধে শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪  আল্লাহর নৈকট্য পেতে প্রতিদিন পড়ুন ৮ নফল নামাজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ ‘বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি’ পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের

ছাত্রদের পড়ালেখার উন্নতির জন্য শিক্ষক কতটুকু শাসন করতে পারে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

প্রশ্ন: আমার একটু জানার বিষয় হলো বর্তমান সময়ে ছাত্রদের পড়ালেখার উন্নতির জন্য কতটুকু শাসন করা বৈধ?

উত্তর: ছাত্রদের তরবিয়্যাত ও পড়াশোনার উন্নতীর জন্য শালীন শব্দে মৌখিক শাসনে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু বেত্রাঘাত বিষয়ে কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখা জরুরী।

এক. পিতা-মাতার অনুমতি ছাড়া প্রহার করা যাবে না।
দুই. প্রহারের মাকসাদ নিজের রাগ বা ক্ষোভ প্রশমন নয়, বরং ছাত্রদের তারবিয়্যাতের নিয়তে হতে হবে।
তিন. রাগ থাকা অবস্থায় প্রহার না করা।
চার. শিশুদের বয়স দশ বছর হওয়ার আগে প্রহার করা যাবে না।

পাঁচ. চেহারা, মাথা এবং সতরের অংশে প্রহার করা যাবে না।
ছয়. দাগ হয়ে যায়, হাড্ডি ভেঙ্গে যায়, শরীর কালো হয়ে যায়, বা রক্ত জমে যায় এমন জোরে প্রহার করা যাবে না।
সাত. লাঠি, চাবুক ইত্যাদি দিয়ে প্রহার করা যাবে না।
আট. তিনবারের চেয়ে বেশি প্রহার করা যাবে না। এক স্থানে তিনবারও প্রহার করা যাবে না।

উপরোক্ত শর্তগুলো মেনে ছাত্রদের শাসন হিসেবে প্রহার করা যাবে।

عَنْ أَبِي هَارُونَ العَبْدِيِّ، قَالَ: كُنَّا نَأْتِي أَبَا سَعِيدٍ، فَيَقُولُ: مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، إِنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ، وَإِنَّ رِجَالاً يَأْتُونَكُمْ مِنْ أَقْطَارِ الأَرَضِينَ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ، فَإِذَا أَتَوْكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا

আবূ হারূন আল-আবদী রাহ. হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল-খুদরী রা.-এর নিকটে (জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে) আসলে তিনি বলতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপদেশকে “মারহাবা, স্বাগতম!” কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: (আমার পরে) মানুষ তো তোমাদের অনুসারী হবে। দিগদিগন্ত হতে মানুষ ধর্মের জ্ঞান অর্জনের উদ্দেশ্যে তোমাদের নিকটে আসবে। তারা তোমাদের নিকটে এলে তোমরা তাদের কল্যাণ সাধনের ব্যাপারে (আমার) উপদেশ গ্রহণ কর। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২৪৯, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-২৬৫০]

فى الدر المختار: وَإِنْ وَجَبَ ضَرْبُ ابْنِ عَشْرٍ عَلَيْهَا بِيَدٍ لَا بِخَشَبَةٍ لِحَدِيثِ مُرُوا أَوْلَادَكُمْ بِالصَّلَاةِ وَهُمْ أَبْنَاءُ سَبْعٍ

وفى رد المحتار: قَوْلُهُ بِيَدٍ أَيْ وَلَا يُجَاوِزُ الثَّلَاثَ، وَكَذَلِكَ الْمُعَلِّمُ لَيْسَ لَهُ أَنْ يُجَاوِزَهَا قَالَ – عَلَيْ