শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী কূটনৈতিক শিষ্টাচার ভঙ্গ করেছেন: ইসলামী ঐক্যজোট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের লাগামহীন মন্তব্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী ও মহাসচিব মুফতী ফয়জুল্লাহ।

আজ এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক সপ্তাহ আগেই ‘অন্য দেশের তুলনায় আমরা বেহেশতে আছি’ মন্তব্য করে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন । গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে’ মন্তব্য করেছেন। আমরা মনে করি, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী হয়ে ভারতের কাছে এমন জঘন্য আবদার করে তিনি কূটনৈতিক শিষ্টাচার বিবর্জিত কাজ করেছেন।

নেতৃদ্বয় বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ চাওয়া অপরাধ। ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ। প্রতিবেশী হিসেবে তাদের সঙ্গে কুটনৈতিক সম্পর্ক থাকবে। তবে বাংলাদেশে কোন সরকার ক্ষমতায় থাকবে, তা ঠিক করবে দেশের জনগণ এবং এটাই দেশের সাংবিধানিক নিয়ম। কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের কাছে ক্ষমতায় টিকে থাকার অনুরোধ দেশের সংবিধানিক রীতি ও শিষ্টাচার পরিপন্থী। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই বক্তব্যের মাধ্যমে তার দক্ষতা ও যোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।

তারা বলেন, এক সপ্তাহ আগেও পররাষ্ট্র মন্ত্রী ‘অন্য দেশের তুলনায় আমরা বেহেশতে আছি বক্তব্য দিয়েছেন। তার বক্তব্যে মন্ত্রী হিসেবে যে প্রজ্ঞা, দক্ষতা থাকার কথা, সেটার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। কর্মজীবনে তিনি ছিলেন আমলা,তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞার অভাব রয়েছে। সরকারের উচিৎ, একেএম আব্দুল মোমেনকে মন্ত্রী পদ থেকে অপসারণ করা, তা না হলে তার একের পর এক লাগামহীন বেফাঁস মন্তব্য দেশে অকল্যাণ বয়ে আনবে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ