মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১৪  আল্লাহর নৈকট্য পেতে প্রতিদিন পড়ুন ৮ নফল নামাজ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা এলপিজির সংকট নেই, মজুতদারি করলে ব্যবস্থা: ডা. জাহেদ ‘বাংলাদেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন এআই-সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি’ পাঠ্যবইয়ের মান যাচাইয়ে মধ্যরাতে ৬ প্রেসে শিক্ষামন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম আল-আকসায় ইসরায়েলি কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা সৌদি আরবের যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে পৃথক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ইয়েমেনে তীব্র সংঘাত: ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৬ হুথি যোদ্ধা হতাহত, দাবি সেনাবাহিনীর

নারীবাদের ভিন্নরূপ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মূল: ড্যানিয়েল হাকিকাতজু
অনুবাদ: নোমান আব্দুল্লাহ

ইসলামে বিয়েকে অংশীদারত্ব (সবকিছু ভাগাভাগি) মনে করা হয়না। বরং বিয়ে মানে স্ত্রীর অভিভাবকত্ব ও দায়িত্বগ্রহণ। এর প্রমাণ কুরআন ও সুন্নাহে রয়েছে -যা পুরুষকে তার পরিবারের দায়িত্বগ্রহণের কথা বলে।

আর সাধারণভাবে নারীরাও বিয়েকে অংশীদারত্ব মনে করে না। এমনকি নারীবাদীরাও বিশেষ অধিকারের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র অংশীদারত্ব চায়, কিন্তু দায়িত্বের প্রশ্নে তারা আর অংশীদারত্ব মেন্ব নিতে চায়না।

মাঝরাতে যদি জোরে আওয়াজ হয়, তাহলে নারীবাদী কি অংশীদারত্বের কারণে তার স্বামীকে বলে যে, তুমি অপেক্ষা করো, আমি দেখছি বাড়িতে কোনো খুনি ঢুকেছে কিনা?

বাড়িতে কোনো সমস্যা দেখা দিলে, নারীবাদীরা অংশীদার হিসেবে স্বামীকে বলে যে, তুমি বিশ্রাম নাও, আমি সমস্যার সমাধান করছি?

যদি স্বামীকে ট্যাক্স নিয়ে বা সরকারি বা পুলিশি সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়, তাহলে কোনো নারীবাদী স্ত্রী কি এগিয়ে এসে বলে যে, আমি বিশয়টি দেখছি?

না, জীবনের কঠিন মানসিক চাপ এবং প্রয়োজনের সময়ে কড়া নারীবাদীরাও আশা করে যে, তাদের স্বামী সমস্যাগুলোর সমাধান করুক। এসব ক্ষেত্রে এই নারীবাদীরা হঠাৎ করেক গৃহকর্ত্রী হয়ে ওঠে এবং অংশীদারত্বের ব্যাপারটি ছুড়ে ফেলে।

তবে স্ত্রীকে সম্মান করা ও তার কথাকে মূল্যায়ন করা হলো একজন আদর্শ স্বামীর কর্তব্য।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ