সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

এখন মনে হচ্ছে ‘ফেসবুক’ চরম অসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| ইমতিয়াজ মাসরুর ||

এখন মনে হচ্ছে 'ফেসবুক' চরম অসামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। কোন কিছু অনুসন্ধান বা যাচাই-বাছাই না করে হঠাৎ কোন ব্যক্তি সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করা, সম্মানিত ব্যক্তিদের সামান্য ভুল নজরে আসার সাথে সাথে তাদের নিয়ে মূর্খতা সুলভ সমালোচনা করা । এধরনের বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক অসুস্থ কর্মকান্ডের মহড়া চলছে এই ফেসবুকে।

ড. মুহাম্মদ সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘ধর্মের দুটো উপাদান রয়েছে। এক. বিশ্বাস। দুই.হুজুগ।’

এখন আমরা যারা নিজেদেরকে ধার্মিক হিসেবে পরিচয় দিই তাদের ভেবে দেখা উচিৎ,আমাদের ফেসবুকীয় কর্মকাণ্ড ধর্মবিশ্বাসের উপাদান থেকে সৃষ্ট না হুজুগের বহিঃপ্রকাশ?

মিডিয়া কোন ব্যক্তির মর্যাদার মানদণ্ড হতে পারে না। কিন্তু বর্তমানে এই হুজুগে পড়া কিবোর্ড যোদ্ধারা এটাকেই মানদণ্ড বিচার করছে। তাদের কারণে সোসাল মিডিয়ায় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে একধরনের জনমত তৈরি হচ্ছে। আর এই হুজুগে সৃষ্ট জনমতটাই হলো সোশ্যাল মিডিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর দিক। এজন্য facebook কে আমি social media বলি না, এটা এখন unsocial মিডিয়া।

জনগণকে শ্রদ্ধা করি কিন্তু জনমতকে নয়। কারণ জনগণকে যা খাওয়ানো হয় সেটাই সে প্রসব করে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ