বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে: ডিএনসিসি প্রশাসক ‘বিএনপিকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে চাঁদাবাজ বললে জনগণই বিচার করবে’  মক্কায় রাইড-হেইলিং সেবা চালু করল ইনড্রাইভ ‘প্রতিটি ওয়ার্ডে ছড়িয়ে পড়তে হবে, শরিয়াহর পক্ষে জনমত গড়তে হবে’ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিন গাড়িতে আগুন সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ সরকারের বাড়ল স্বর্ণের দাম নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৬৩ খেলাফত মজলিস যুক্তরাজ্য নর্থের নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত বুদ্ধিবৃত্তিক বিচ্যুতি মোকাবিলায় ভারসাম্যপূর্ণ ফতোয়ার ওপর গুরুত্বারোপ মুফতি তাকী উসমানীর

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অত্যন্ত সফল: তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফর অত্যন্ত সফল ও সন্তোষজনক হয়েছে। বিএনপির এতে মন খারাপ হয়েছে। সে কারণে উনারা এখন আবোল-তাবোল বকছেন।

আজ রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর অত্যন্ত সফল এবং ফলপ্রসূ হয়েছে। এই সফরে অনেকগুলো চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে ভারতের স্থলভাগ ব্যবহার করে বিনা শুল্কে তৃতীয় দেশে পণ্য রফতানির সুযোগ। এটির জন্য আমরা বহু বছর ধরে চেষ্টা করে এসেছি।

তিনি বলেন, এতদিন ধরে ভারতের স্থলভাগ ব্যবহারের বিষয়ে যে বাধা ছিল তা দূরীভূত হয়েছে। বাংলাদেশ এখন চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর দিয়ে ভারতের স্থলভাগের ওপর দিয়ে নেপাল এবং ভুটানের সঙ্গে পণ্য আমদানি এবং রফতানি করতে পারবে। এটি একটি বড় অর্জন।

‘আমাদের সরকার ও জননেত্রী শেখ হাসিনাই ভারতের কাছ থেকে সবকিছু আদায় করেছেন’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সালিশ আদালতে মামলা করে আমরা ভারতের কাছ থেকে সমুদ্রসীমা আদায় করেছি। চুক্তি হওয়ার ৪০ বছর পরও আমাদের ছিটমহলের যে দাবি আদায় হচ্ছিল না, সেটি প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই আমরা করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, ২০টি পণ্য ছাড়া বাংলাদেশের সকল পণ্য রফতানিতে ভারত শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে, যেগুলো অন্য কেউ আদায় করতে পারেনি। আর কুশিয়ারা নদীর পানি নিয়েও আমাদের পক্ষে যে চুক্তি হয়েছে সেটি একটি বড় অর্জন।

তিস্তা নদীর পানিবণ্টন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো ধরনের আপত্তি নেই। কিন্তু ভারতের বিধি-বিধান অনুযায়ী সেখানে রাজ্য সরকারের একটি অনুমোদন লাগে। রাজ্যের পক্ষ থেকে যেহেতু আপত্তি আছে সে কারণে এটি এতোদিন ধরে এগোয়নি, তবে এটি নিয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। আশা করছি খুব শিগগিরিই এটির সমাধান হবে।

হাছান মাহমুদ বলেন, কেন এতো ভালো সফর হলো সেজন্য বিএনপির মির্জা ফখরুল সাহেবদের মন খুবই খারাপ। উনাদের কাজ তো বিভ্রান্তি ছড়ানো। সেটি নিয়েই তারা ব্যস্ত আছেন।