মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘মাদরাসার জরিপ প্রয়োজন হলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জরিপ কেন প্রয়োজন নয়’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবু সাঈদ:।। জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি, দারুল উলূম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিসিন মাওলানা আরশাদ মাদানি বলেন, আমাদের আপত্তি মাদরাসা জরিপের উপর নয়। আমাদের আপত্তি সাম্প্রদায়িক মানসিকতার উপর। গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাপকালে মাওলানা আশরাদ মাদানি এসব কথা বলেন।

বিষয়টি আরেকটু স্পষ্ট করে তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে একটি মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক মহল সারাদেশে সাম্প্রদায়িকতা ও বিদ্বেষের পরিবেশ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। সরকার এ ব্যাপারে বরাবরই ছিলো নির্বিকার। ফলে মুসলমানরা বিশ্বাস করতে বাধ্য হয়েছে, বর্তমানের যে কোন সিদ্ধান্ত মুসলমানদের অস্তিত্ব বিনাশের জন্যই গৃহিত হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, মাদরাসার বিষয়াদি শুধরাতে হবে, কথাটি আপন জায়গায় ঠিক আছে। কিন্তু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো যেহেতু সাম্প্রদায়িক মহলটির বিশেষ টার্গেট, সেজন্য এ ব্যাপারে যে কোন পদক্ষেপে আমাদের নেপথ্য কারণ দেখতে হয়। কওমী মাদরাসা ইসলাম ও মুসলিম স্বত্বার রক্ষাকবচ। তাই এ ব্যাপারে আমাদের সর্বদা সজাগ-সতর্ক থাকতে হবে।

মাওলানা মাদানি আরো বলেন, আমরা সবসময়ই আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংবিধান প্রদত্ত নীতির ভিত্তিতেই পরিচালনে সচেষ্ট থেকেছি। কিন্তু সাম্প্রদায়িক মহলটি বরাবরই এসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের হীন চেষ্টা করে এসেছে। আমরা তাদের ষড়যন্ত্র কখনই সফল হতে দিব না। ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব দেশের জন্য হুমকি নয়। বরং দেশের উন্নয়নের বিশেষ সারথি। গত দেড়শ বছরের ইতিহাস তার জ্বলজ্বলে সাক্ষী।

এক প্রশ্নের জবাবে মাওলানা মাদানি বলেন, আসামে মাদরাসাগুলোকে জঙ্গিবাদের আস্তানা বলা হচ্ছে। অথচ এর নূন্যতম কোন ভিত্তি নেই। এমন অযৌক্তিক একটি কারণকে পুঁজি করে উত্তরপ্রদেশে সকল অননুমোদিত মাদরাসা সমীক্ষা করার সার্কুলার জারি হয়েছে। এতে মুসলমানরা ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের সার্কুলার জারির আগে মুসলমানদের আশ্বস্ত করার দরকার ছিলো। অথচ সেটা করা হয়নি। তাদের আশঙ্কাকে আরো বহু গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, উত্তরপ্রদেশে বিপুল সংখ্যক অনুনোমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেখানে কেবল কওমী মাদরাসাগুলোতেই সমীক্ষা চালানো হচ্ছে। এতে সার্কুলার জারির নেপথ্য উদ্দেশ্য নিয়ে শঙ্কা ঘ