সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


আল্লাহ আকবার : যে ধ্বনি আকাশ থেকে আঁধার ভেঙে সকাল আনে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: মুমিনের জীবনে আল্লাহু আকবর ধ্বনির চেয়ে বড় কোনো ধ্বনি নেই। আল্লাহু আকবর অর্থ—আল্লাহ মহান। এই তাকবির উচ্চারণের মাধ্যমে মূলত আল্লাহর বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করা হয়। শক্তি-সামর্থ-সম্মান সবদিক থেকে মহান আল্লাহ সবার ঊর্ধ্বে— তাকবির সে অর্থেরই প্রতীক।

হজরত ওমর (রা.) বলেন, ‘আল্লাহু আকবর দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ বাক্য’ (তাফসিরে কুরতুবি)। এ ধ্বনি প্রকাশে উৎসাহিত করে মহান আল্লাহ বলেন,  وَ کَبِّرۡهُ تَکۡبِیۡرًا ﴿۱۱۱﴾ ‘তুমি পূর্ণরূপে তাঁর বড়ত্ব ঘোষণা করো’ (সুরা ইসরা: ১১১)

কারো অন্তরে তাকবিরের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব যত বেশি হবে, তার ঈমানের প্রভাব তত বেশি প্রতিফলিত হবে। তাই ইসলামী শরিয়তে আজান ও নামাজের পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময় ও জীবনঘনিষ্ঠ নানা অনুষঙ্গে তাকবির পাঠের বিশেষ নির্দেশনা রয়েছে।

জন্মের পর থেকে আল্লাহু আকবর ধ্বনি শুনে বড় হন উম্মতে মুহাম্মদী। নবজাতকের কানে তাকবির। আজান ও নামাজে তাকবির। চাঁদ দেখার সময়, হজের সময়, কাবা জিয়ারতকালে তাকবির। কঙ্কর নিক্ষেপ করার সময়, আরোহণ করার সময়, তাওয়াফ করাসহ এ ধরনের সব জায়গাতেই আল্লাহু আকবর বলতে হয়।

জিলহজের ১০ দিন আল্লাহর কাছে তাকবিরের চেয়ে আর বড় কোনো আমল নেই। (মুসনাদে আহমদ: ৬১৫৪)
এছাড়াও দুই ঈদে, পশু-পাখি জবাইয়ে, সফরে, বাহনে আরোহনে, উপরে উঠার সময়, এমনকি মৃত্যুশেষে জানাজায়ও তাকবির বলার নিয়ম।

একবার রাসুল (স.)-এর সঙ্গে নামাজ আদায়কালে এক ব্যক্তি বলে উঠল, ‘আল্লাহু আকবার কাবিরা ওয়াল হামদুলিল্লাহ কাসিরা ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতান ওয়া আসিলা’ (অর্থ: আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে বড়। সব প্রশংসা আল্লাহর। আর সকাল ও সন্ধ্যায় তারই পবিত্রতা বর্ণনা করতে হবে)।

নামাজ শেষে রাসুল (স.) জিজ্ঞাসা করলেন, এ কথাগুলো কে বলল? সবার মধ্যে থেকে এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমি বলেছি। তখন রাসুল (স.) বললেন, কথাগুলো আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কারণ কথাগুলোর জন্য আসমানের দরজা খুলে দেওয়া হয়েছিল। (সহিহ মুসলিম: ১২৪৫)
আল্লাহ তাআলা বলছেন, وَ لِتُکَبِّرُوا اللّٰهَ عَلٰی مَا هَدٰىکُمۡ وَ لَعَلَّکُمۡ تَشۡکُرُوۡنَ ﴿۱۸۵﴾ আর তিনি তোমাদের যে হেদায়াত দিয়েছেন, সেজন্য তোমরা আল্লাহর মহিমা ঘোষণা করো, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো। (সুরা বাকারা: ১৮৫)

শয়তান পালায়। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (স.) বলেন—

শয়তান à