সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


‘অস্ট্রিয়ায় ইসলামের অগ্রযাত্রার কারণে ইউরোপে নবজাগরণের সূচনা হয়েছে’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন ।।

অস্ট্রিয়ায় ইসলামের অগ্রযাত্রা অব্যাহত গতিতে চলার কারণে পুরো ইউরোপে নবজাগরণের সূচনা হয়েছে। বিভিন্ন জনপদে মুসলমান, মসজিদ ও ইসলামী কেন্দ্রের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা হচ্ছে ইসলামের মুবাল্লিগ ও প্রচারকদের এখন মূল ঘাঁটি। বিশ্বের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী থেকে যেসব মুসলমান অস্ট্রিয়ায় বসবাস করছেন বিশেষত যারা নাগরিকত্ব পেয়েছেন, তাদের সাধারণ অবস্থা ভালো ও সন্তোষজনক। অস্ট্রিয়া যদিও খ্রিষ্টান অধ্যুষিত দেশ, তারপরও সে দেশের বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ পুরো দুনিয়ার জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

যেখানে বসনিয়া হার্জেগোভিনা, কসোভো, মেসিডোনিয়া ও আলবেনিয়ার ভূমিপুত্র মুসলমানরা স্বদেশী খ্রিষ্টানদের আগ্রাসনের শিকার হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন- সেখানে ভিয়েনার মুসলমান ও খ্রিষ্টানদের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও পারস্পরিক সহযোগিতা সত্যিকার অর্থে আনন্দের বিষয়। মুসলিম সম্প্রদায়ের অনেক সদস্য সরকারি উদারনীতির সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়-প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক কেন্দ্র, আমদানি-রফতানি সিন্ডিকেট, ক্লিনিক, সমিতি ও স্কুল গড়ে তুলেছেন।

মিসর, সুদান, সিরিয়া, ইরাক, লেবানন ও ফিলিস্তিনসহ আরব দেশ থেকে আগত মুসলমানদের মধ্যে অনেক পেশাজীবী বিশেষজ্ঞ বিশেষত চিকিৎসাবিজ্ঞানী, রসায়নবিদ, পদার্থবিদ, প্রকৌশলী, আইনজীবী অস্ট্রিয়ায় সরকারি-বেসরকারি উচ্চপদে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। অস্ট্রিয়ার বৃহত্তর জনগোষ্ঠী খ্রিষ্টানদের মতো মুসলমানরাও সমান নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পেয়ে আসছেন যা তাদের জীবনধারাকে স্থিতিশীল করেছে। নবম শতাব্দীতে অস্ট্রিয়ায় ইসলামের আগমন ঘটেছিল।

স্মর্তব্য যে, ভিয়েনার মুসলমানরা অস্ট্রিয়ার ফেডারেল সরকারের পক্ষ থেকে সমাজ, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ব্যাপারে যে উদার পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছেন তা সংবিধানস্বীকৃত। ইউরোপে জাতিভিত্তিক রাষ্ট্র হয়েও অস্ট্রিয়া ১০০ বছর পর সম্প্রতি অস্ট্রিয়ার পার্লামেন্ট সেই আইনে (ইসলামিক ল’) সংশোধনী এনে ইসলাম ধর্মকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিয়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয়- এমন করে ইসলাম বিকাশের সুযোগ সম্প্রসারিত করে।

১৯১২ সালের ১৫ জুলাই সম্রাà