সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১৭ রবিউস সানি ১৪৪৮


মাজলুমই জালিমের অত্যাচারকে ক্ষমা করার অধিকার রাখে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবু তালহা তোফায়েল জালেমরা যা করছে সে সম্পর্কে তোমরা আল্লাহকে উদাসীন ভেবো না, তিনি তাদের ছাড় দিয়ে যাচ্ছেন ওই দিন পর্যন্ত যেদিন চোখগুলো সব আতঙ্কে বড় বড় হয়ে যাবে।"(সূরা ইবরাহীম-৪৩)

এমনই ছিল তোমার রবের ধরপাকড়, যখন তিনি ধরেছিলেন ওই জালেম বসতিগুলোকে! নিশ্চয়ই তার ধরা অনেক কঠিন যন্ত্রণাময়। (সূরা হুদ-১০২) তোমরা জুলম বা অন্যায় করা থেকে বিরত থাকো। এই জুলম কিয়ামতের দিন ঘোর অন্ধকার হয়ে দেখা দিবে। (মুসলিম) আল্লাহ পাক জালিমকে ছাড় দিতে থাকেন- তারপর যখন ধরেন তখন আর তাকে কোনো সুযোগ দেন না। (বুখারী)

জালিম শব্দটি আরবি। ‘আজ-জুল্মু’ মাসদার বা শব্দমূল থেকে উদগত। যার আভিধানিক অর্থ ‘অত্যাচার করা, উৎপীড়ন করা, নিপীড়ন করা, নির্যাতন করা, দুর্ব্যবহার করা।’

পরিভাষায়: যেসব মানুষ কারো প্রতি অত্যাচার, উৎপীড়ন, নিপীড়ন, নির্যাতন এবং দুর্ব্যবহার করে তাদেরকে জালিম এবং যাদের প্রতি তা করা হয় তাদেরকে মাজলুম বলে। কারো কারো মতে- জুলুম শব্দের অর্থ আল-জাওরু (অত্যাচার করা) বা আদামুল ইনসাফ (অবিচার করা)। পরিভাষায় কোনো বস্তুকে তার উপযুক্ত স্থানে না রেখে বরং অন্য স্থানে রাখাকে জুলুম বলে। আর অত্যাচারীকে জালিম এবং অত্যাচারিতকে মাজলুম বলে।

পৃথিবীর সকল ধর্ম মতেই জুলুম করা অন্যায় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। জালিম অপরাধী, আর মজলুম অনুগ্রহ পাওয়ার অধিকারী। বিচারের আওতাধীন জালিম শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আর এটাই আল্লাহর বিধান। বিচারের মুখোমুখি হলে মাজলুম যদি জালিমের অত্যাচারকে ক্ষমা করে দেয়, তাহলে সে (জালিম) ক্ষমা পেতে পারে, অন্যথায় কারও অধিকার নেই এই জালিমকে ক্ষমা করে দেওয়ার।

সম্প্রতিসময়ে একজন আলেম চেয়ারম্যানের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া পাচ্ছে, আলোচনা সমালোচনার জন্ম দিচ্ছে, পক্ষে-বিপক্ষে দলিলাদিও পেশ করা হচ্ছে।

তিনি বলেছেন তার দল যদি ক্ষমতায় যায়, তাহলে শাপলা চত্বরের বিচার করা হবে না, ক্ষমা করে দেওয়া হবে, ইত্যাদি। অনেকে দলিল হিসেবে বলে থাকেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কী জীবনে অনেক কষ্ট সহ্য করেছেন, সর্বশেষ জন্মভূমি ত্যাগ করে মদীনায় হিজরত করেছেন। এমন কোনো অত্যাচার বাকি থাকেনি, যা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবায়ে কেরামদের উপর প্রয়োগ করা হয়নি। তারপর মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লà