আবদুল কাইয়ুম শেখ।।
দান করার দুটি দিক রয়েছে একটি পাপের ও অপরটি পুণ্যের। একটি কল্যাণের ও অপরটি অকল্যাণের। একটির মাধ্যমে মানবকল্যাণ, সমাজকল্যাণ ও সৃষ্টিকল্যাণ হয়ে থাকে। আর অপরটির মাধ্যমে অকল্যাণ হয়ে থাকে। কেবল সেই দান উপকারী হয় ও পুণ্য নিয়ে আসে যা আল্লাহর পথে প্রদান করা হয়, কল্যাণের পথে ব্যয় করা হয় ও পুণ্যের পথে প্রদত্ত হয়। পক্ষান্তরে পাপের পথে দান করা হলে তা উপকারের পরিবর্তে অপকার বয়ে আনে।
দানকৃত অর্থ অনর্থ সৃষ্টিতে সহায়ক হয়। তাই শিরোনামের দান দ্বারা আল্লাহর পথে, পুণ্যের পথে ও কল্যাণের পথের দানই উদ্দেশ্য। বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে আমরা শরিয়ত সমর্থিত দান সম্পর্কে কুরআন-হাদিসের নিরিখে আলোকপাত করছি; যেন কল্যাণকর খাতে দান করার মাধ্যমে ইহ ও পরকালে উপকৃত হওয়া যায়।
রিজিক বৃদ্ধির কারণ
আল্লাহর পথে দান করা দাতার রিজিক বৃদ্ধির কারণ। যদি কোন ব্যক্তি আল্লাহর পথে ব্যয় করে, তাহলে আল্লাহ তাআলা তাকে প্রচুর প্রতিদান প্রদান করেন। তার রিজিক বৃদ্ধি করে দেন।
সম্পদে ভরপুর বরকত দান করেন। মহাগ্রন্থ আল কুরআনে এসেছে : 'আমার পালনকর্তা তার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা রিজিক বাড়িয়ে দেন এবং সীমিত পরিমাণে দেন। তোমরা যা কিছু ব্যয় কর, তিনি তদস্থলে বিনিময় প্রদান করেন। তিনি উত্তম রিজিক দাতা।' (সুরা সাবা, আয়াত : ৩৯) মহান আল্লাহ দান খয়রাতকে বর্ধন করার স্পষ্ট ঘোষণা আলকুরআনে প্রদান করে বলেছেন, 'আল্লাহ তাআলা সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দান খয়রাতকে বর্ধিত করেন।' (সুরা বাকারা, আয়াত : ২৭৬) কোন ব্যক্তিকে ধার দেওয়া হলে সেই ব্যক্তি অনুরূপ বস্তু ফিরিয়ে দেয়। অনেক সময় ফিরিয়ে দিতে টালবাহানা ও কালক্ষেপণ করে।
কিন্তু আল্লাহ তাআলাকে ধার দেওয়া হলে অর্থাৎ তার পথে ব্যয় করা হলে তিনি দাতাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেন। তার সম্পদ বিপুল পরিমাণে বর্ধিত করে ইহ বা পরকালে ফিরিয়ে দেন। মহাগ্রন্থ আল কুরআনে এ মর্মে ইরশাদ হয়েছে এমন কে আছে যে, আল্লাহকে করজ দেবে, উত্তম করজ; অতঃপর আল্লাহ তাকে দ্বিগুণ-বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেবেন। আল্লাহই সংকোচিত করেন এবং তিনিই প্রশস্ততা দান করেন। আর তারই নিকট তোমরা সবাই ফিরে যাবে। (সুরা বাকারা, আয়াত: ২৪৫)
সম্পদ বৃদ্ধির কারণ
দান করার মাধ্যমে লোভ-লালসা ও কার্পণ্য হতে আত্মার পরিশুদ্ধি অর্জন হবার সঙ্গে সঙ্গে আপন সম্পদে বরকত অর্জিত হয়। মহান আল্লাহ বলেন, 'তাদের মালামাল থেà