বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন প্রাথমিক শিক্ষায় নাচ-গান ও নাটক অন্তর্ভুক্তির প্রতিবাদে মহিলা মজলিসের সমাবেশ ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সেন্টার ফর জাকাত ম্যানেজমেন্টে দানে মিলবে কর ছাড়

খুতবার প্রস্তুতিকালে মিম্বরেই ইমামের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জুমার খুতবা পাঠের প্রস্তুতি নিতে মিম্বরে উঠেছিলেন তিনি। আল্লাহর বাণী শোনাতে দাঁড়ানো সেই মুহূর্তই হয়ে উঠল জীবনের শেষ সময়। খুতবা আর পড়া হলো না—হঠাৎ থেমে গেল হৃদস্পন্দন।

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জুমার খুতবার প্রস্তুতিকালে ইন্তেকাল করেছেন হাফেজ মোহাম্মদ আব্দুল মবিন মোল্লা (৬৫)। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে উপজেলার মাঝিগাছা পূর্বপাড়া পাটোয়ারী বাড়ি জামে মসজিদে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী মুসল্লিরা জানান, খুতবার জন্য মিম্বরে ওঠার সময় হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং মুহূর্তের মধ্যেই মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন। উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাকে সহায়তা করার চেষ্টা করেন। পরে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোকজনিত কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।

ইমামের আকস্মিক ইন্তেকালে মসজিদ প্রাঙ্গণে নেমে আসে শোকের ছায়া। কান্নায় ভেঙে পড়েন মুসল্লিরা। অনেকেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না—যে মানুষটি কিছুক্ষণ আগেও সুস্থভাবে খুতবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তিনি এভাবে চলে যাবেন।

মরহুমের ছেলে জিসান আহমেদ বলেন, “আমার বাবা নিয়মিত জুমার নামাজ পড়াতেন। কোনো অসুস্থতার কথা তিনি আমাদের জানাননি। হঠাৎ করেই এই ঘটনা ঘটে।”

হাফেজ মোহাম্মদ আব্দুল মবিন মোল্লা দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর ধরে হরিপুর ও মাঝিগাছা এলাকার বিভিন্ন মসজিদে ইমামতি দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বিনয়ী, সৎ ও আদর্শ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব।

স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, তিনি কখনো উচ্চস্বরে কথা বলতেন না। তার খুতবা ও আচার-আচরণ মানুষকে দ্বীনের পথে অনুপ্রাণিত করত। এমন একজন আলেমের মৃত্যু পুরো এলাকার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

বাদ মাগরিব তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলার যুগিচাপর মোল্লা বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ