মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬ ।। ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২২ মহর্‌রম ১৪৪৮


কক্সবাজারে পাহাড়ধ্বসে ১১ জনের মৃত্যু


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে ভারি বর্ষণে এক রাতে চার স্থানে পাহাড়ধসে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া জেলার পেকুয়া ও দরিয়ানগরে একজন করে মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সদরের দরিয়ানগরে পাহাড়ধসে এক নারীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয় শিশুসহ চারজন।

এছাড়া উখিয়ার তিনটি রোহিঙ্গা ক্যাম্পেই প্রাণ গেছে ৮ জনের। অন্যজন কক্সবাজার শহরের বাসিন্দা। রোববার রাত ১টা থেকে সাড়ে ৩টার মধ্যে উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং কক্সবাজার শহরের ছাত্তার ঘোনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদিকে পেকুয়ায় পাহাড়ধসে সোমবার দুপুরে এক শিশুর মৃত্যু হয়।

উখিয়ার ক্যাম্প-১৫তে একই পরিবারের ৩ জন এবং ক্যাম্প-১১তে একই পরিবারের ৪ জন রয়েছেন। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে শরণার্থী শিবির ও গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৬ ব্লকে। রাত দেড়টার দিকে পাহাড়ের একটি বিশাল অংশ ধসে পড়ে মোহাম্মদ কামাল হোসাইনের বসতঘরের ওপর। মুহূর্তের মধ্যে মাটির নিচে চাপা পড়ে পুরো ঘরটি। খবর পেয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবকরা রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়ে কামাল হোসাইন (৪৪), তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং তাদের ৪ বছরের শিশুসন্তান মোহাম্মদ আনাসের লাশ উদ্ধার করে। পরিবারের ১০ জন সদস্য তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। অলৌকিকভাবে ৭ জন বেঁচে গেলেও তারা সবাই গুরুতর আহত।

উখিয়া ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা ডলার ত্রিপুরা যুগান্তরকে বলেন, ‘খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। অত্যন্ত দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ চালিয়ে তিনজনের লাশ ও দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করি। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই রাত ২টার দিকে রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি-৭ ব্লকে আরেকটি পাহাড়ধসে একরাম (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। সে ওই ক্যাম্পের মোহাম্মদ রশিদের ছেলে।

আওয়ার ইসলাম/জেডএম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ