|| শায়খ মুফতি মোহাম্মদ আলী ||
রাসুলে কারিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, শেষ জামানায় কেয়ামতের আগে মানুষের অন্তর থেকে ইলম ছিনিয়ে নেওয়া হবে না; বরং ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে আলেমদের মৃত্যুর মাধ্যমে। একজন বিজ্ঞ আলেম মৃত্যুবরণ করবেন, কিন্তু তাঁর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার মতো যোগ্য আলেম তৈরি হবে না। এভাবে আলেমদের শূন্যতা তৈরি হতে হতে একদিন পৃথিবী আলেমশূন্য হয়ে পড়বে। তখন আর আল্লাহর জিকির থাকবে না এবং এভাবেই কিয়ামত কায়েম হবে।
পৃথিবীতে যতক্ষণ ইলম ও আলেম থাকবে, ততক্ষণ পৃথিবী টিকে থাকবে। আঠারো হাজার মাখলুকাত আলেমদের জন্য এই কারণেই দোয়া করে যে, আলেম সমাজ না থাকলে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে এবং কোনো প্রাণীরই অস্তিত্ব থাকবে না। হাদিস শরিফে এসেছে, পানির গভীরের মাছও আলেমদের জন্য দোয়া করে। এমনকি গর্তের পিপীলিকাও।
ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.)-এর ইলম প্রীতি—
ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.) ছিলেন এক অনন্য মেধাবী আলেম। তাঁর যোগ্যতা এতই ছিল যে, তিনি চাইলে নিজেই একটি স্বতন্ত্র মাযহাব প্রতিষ্ঠা করতে পারতেন। কিন্তু উস্তাদ ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর à¦