শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিক মর্যাদায় স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার আহ্বান হেফাজতের রাতে চার দিনের সফরে মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন আমিরে মজলিস হাফেজাদের যথাযথ পরিচর্যায় গড়ে তুলতে হবে: মাওলানা যাইনুল আবিদীন আস-সুন্নাহর সহায়তায় মেহেদীর ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ সৌদিতে আটকে ৪ হাজার ভারতীয় ওমরাহযাত্রী, বিশেষ ফ্লাইট চাইলেন ওয়াইসি হাটহাজারীতে তিন দিনের তাফসির মাহফিল সফল করার আহ্বান আল-আমিন সংস্থার ৯২ বছর বয়সেও নিয়মিত মসজিদে যান বসনিয়ার বৃদ্ধ আসামে মুসলিম উচ্ছেদ ও মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় খেলাফত মজলিসের নিন্দা ৫৬ বছরের দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় সড়ক এখন মৃত্যুফাঁদ: গাজী আতাউর রহমান ডেঙ্গুতে প্রাণ গেলো আরও ৪ জনের

বন্যার্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে মুফতি সাখাওয়াত রাজীর ‘রাহমাতুল্লিল আলামীন ফাউন্ডেশন’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হয় দেশের কয়েকটি জেলা। নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর এবং কুমিল্লা এর অন্যতম। পরবর্তীতে ভারতের ছেড়ে দেয়া পানিতে মুহূর্তেই তলিয়ে যায় ফেনী। দিশেহারা হয়ে পড়ে ফেনীর জোয়ান, বুড়ো, শিশু, নারীসহ সবাই। প্রাণ বাঁচাতে পারেনি ফেনীর শত শত মানুষ। ঘুম থেকে জেগে ওঠার আগেই তলিয়ে গেছে বাড়ি ঘর। পানির জোয়ারে চিরতরে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে আপনজন। আহ, কী নির্মম দৃশ্য!

বাংলার অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ত্রাণ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, রহমাতুল্লিল আলামীন ফাউন্ডেশন। সময়ের চাহিদা মেটাতে তীব্র প্রয়োজন ছিল শুকনো খাবারের। চিড়া, চিনি, মুড়ি, বিস্কিট, ঔষধ, স্যালাইন, বিশুদ্ধ পানি, মোমবাতি, ম্যাচ লাইট এবং পরিধানের পোশাকসহ প্রয়োজনীয় আসবাব। রাহমাতুল্লিল আলামীন ফাউন্ডেশন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চারটি জেলায় এসবের বিতরণের পাশাপাশি নগদ অর্থ দিয়ে মানুষের সহযোগিতা করেছে। দিয়েছে রান্না করা খাবারও।

নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পূর্ণাঙ্গ সীরাতচর্চা এবং মানব জীবনে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০১৯ সালে তারুণ্যদীপ্ত একঝাঁক ভিজ্ঞ আলেমের সমন্বয়ে লালবাগ জামেয়ার মুহাদ্দিস মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজীর হাত ধরে প্রতিষ্ঠা লাভ করে রহমাতুল্লিল আলামীন ফাউন্ডেশন। জামিয়াতুল বালাগ ঢাকা'র প্রিন্সিপাল, লেখক ও গবেষক মুফতি আহসান শরীফ সংগঠনটির সদস্যসচিব।

২০১ সদস্য বিশিষ্ট এর কেন্দ্রীয় কমিটি। রয়েছে বিভাগ ও জেলাভিত্তিক কমিটি। রাজধানীর মর্যাদা পূর্ণ হলে প্রতি বছর সীরাত বিষয়ক সর্ববৃহৎ কনফারেন্সের আয়োজন করে সংগঠনটি।

নবী প্রেমে উজ্জীবিত করতে এবং শিক্ষার্থীদের মনে নবীজীর আদর্শের বীজ রুইয়ে দিতে সীরাতবিষয়ক প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, কুইজ প্রতিযোগিতা, এবং নাতে রাসুলের মতো নানা আয়োজন থাকে সংগঠনের। পুরো রবিউল আউয়াল মাস জুড়ে থাকে সিরাত বিষয়ক সেমিনার, মাহফিল ও আলোচনা সভা।

আহ্বায়ক মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজী বলেন, ত্রাণ বিতরণ করে আমরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে ছিলাম। বন্যা শেষে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পুনর্বাসন, চিকিৎসাসেবা এবং স্বাবলম্বীকরণ প্রকল্পের কাজ করার চেষ্টা করবো, আমাদের সাধ্যানুযায়ী। বিত্তবানরা সহযোগিতা করলে ব্যাপক হারে কাজ করা যাবে এবং মানুষও উপকৃত হবে।

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ