সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ।। ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৩ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
সোশ্যাল মিডিয়া: নেকির মাধ্যম নাকি গুনাহের ফাঁদ?   মাগরিবের পর দারুল উলুম দেওবন্দে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আগামী সপ্তাহে গ্যাস সংকট পরিস্থিতির উন্নতির আশ্বাস প্রতিমন্ত্রী অমিতের সাতক্ষীরার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ঢাকায় গ্রেফতার তিনবারের শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠক আমিনুল হক সাদীর সাফল্যের গল্প কাতারে নিহত পাঁচ প্রবাসীর পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিলেন জমিয়ত সভাপতি শাপলা হত্যাকাণ্ডে হাসিনাসহ অভিযুক্ত যে ৪১ জন ফিলিস্তিনে মসজিদ জ্বালিয়ে দিল অবৈধ ইহুদি বসতকারীরা শাপলা হত্যাকাণ্ড: ৪১ আসামির তালিকায় সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ: হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে সড়ক অবরোধ উপযুক্ত আন্দোলন নয়: মাওলানা আরশাদ মাদানী


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
সংগৃহীত

ভারতের দুই কক্ষের সংসদে পাস হওয়া ওয়াকফ সংশোধন বিল নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে দেশটির মুসলমানদের মধ্যে। এই বিলকে তারা মুসলিমদের সম্পদ কেড়ে নেওয়ার পাঁয়তারা হিসেবে দেখছেন। এই বিলের বিরুদ্ধে ভারতজুড়ে মুসলিমরা আন্দোলন করছেন। তবে এই আন্দোলনে কোথাও সড়ক অবরোধ করাকে সমর্থন করছেন না ভারতের মুসলিমদের অন্যতম শীর্ষ অভিভাবক এবং জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা আরশাদ মাদানী। সড়ক অবরোধ করলে মুসলিমদের জন্য এটা আরও ক্ষতিকর হতে পারে বলে মনে করেন তিনি। 

মহারাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যম উমিদ ডটকমের খবরে বলা হয়, মাওলানা আরশাদ মাদানী বলেছেন, ভারতের বর্তমান পরিস্থিতি সড়ক আন্দোলনের জন্য উপযুক্ত নয় এবং এর ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে।

দারুল উলুম দেওবন্দের মুহাদ্দিস মাওলানা আরশাদ মাদানী বলেন, আমরা কোনো বিষয় নিয়ে সড়ক আন্দোলনে বিশ্বাস করি না। এটি মুসলিমদের জন্য উপকারী নয়। আমাদের লড়াই সরকার বিরুদ্ধে এবং আমরা সবসময় আইনগত পথে এসব সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করি।

মাওলানা আরশাদ মাদানী ভারতের মুসলিমদের সর্ববৃহৎ সংগঠন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতির পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডের সহ-সভাপতি। 

মাওলানা আরশাদ মাদানীর এই বক্তব্যটি এমন এক সময় এসেছে যখন অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ড নতুন পাস হওয়া ওয়াকফ সংশোধনী আইন ২০২৫-এর বিরুদ্ধে দেশজুড়ে প্রতিবাদ ঘোষণা করেছে। 

সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদি সরকারের পক্ষ থেকে ওয়াকফ সংশোধনী বিল দুই কক্ষ বিশিষ্ট সংসদে পাস হয় এবং পরে দেশটির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এতে স্বাক্ষর কয় এটি আইনে পরিণত হয়। ইতোমধ্যে বিলটি নিয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। জাতীয় কংগ্রেস, অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল’ বোর্ডসহ মোট ১৩টি আবেদন সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করা হয়েছে।

এসএকে/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ