শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬ ।। ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৬ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংগীত, নৃত্য ও নাট্যকলার শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে সাভারে বিক্ষোভ বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেবে সরকার জেনেভায় হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্বাক্ষর ইউরোপে ৪ মার্কিন বিমান, ইরানের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে ধোঁয়াশা সিলেটে দুই মাজারের কোটি টাকা তছনছ, হিসাব চাইলেন ডিসি সারওয়ার সরকারের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষের শিশুশ্রমমুক্ত সমাজ গঠন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি: ইসলামী যুব আন্দোলন বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলনে সীমান্ত অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি পুনর্ব্যক্ত হজ প্রস্তুতি নিয়ে আল ওয়াসির ফ্রি অনলাইন আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর সভা ফেনীতে দুই মাসের শিশুকে হত্যার অভিযোগে বাবা গ্রেপ্তার

ফিলিস্তিনের ঐতিহাসিক ওমরি মসজিদ যেভাবে নির্মিত হয়েছে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় অবস্থিত বিখ্যাত একটি মসজিদ হলো খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাব মসজিদ। এটি ফিলিস্তিনের গ্র্যান্ড মসজিদ হিসেবেও পরিচিত। মসজিদটি মুসলিম বিজেতাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।

খলিফা ওমর বিন আল-খাত্তাবের শাসনামলে ৬৩৬ খ্রিস্টাব্দে ফিলিস্তিন বিজিত হয়। ফিলিস্তিন বিজয়কালে খলিফা ওমর ইবনুল খাত্তাবের সম্মানে মসজিদের নাম দেওয়া হয় ‘আল-ওমরি’। আর এটি গাজার অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ হওয়ায় ‘বড় মসজিদ’ হিসেবে পরিচিত।

এটি আল-আকসা ও  আহমেদ পাশা আল-জাজার মসজিদের পর ফিলিস্তিনের তৃতীয় বৃহত্তম ও প্রাচীন মসজিদ হিসেবে বিবেচিত। ওমর মুখতার স্ট্রিটের পূর্বে, ফিলিস্তিন স্কয়ারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে, গাজার প্রাচীন শহরের কেন্দ্রস্থলে দারাজ কোয়ার্টারে এটি অবস্থিত। কেউ কেউ মসজিদে আকসার সঙ্গে সাদৃশ্য থাকার কারণে এটিকে ‘ছোট আল-আকসা মসজিদ’ বলে ডাকে।

মসজিদটি প্রথমে মন্দির ছিল। খ্রিস্টীয় পঞ্চম শতাব্দীতে বাইজেন্টাইনরা ফিলিস্তিন দখল করে তা গির্জায় রূপান্তর করে। সপ্তম শতাব্দীতে মুসলিমরা ফিলিস্তিন বিজয়ের পর এটি মসজিদ হিসেবে পুনর্নির্মাণ করা হয়।

দশম শতাব্দীতে মুসলিম পর্যটক ও ভূগোলবিদ ইবনে বাতুতা ফিলিস্তিনে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাকে ‘সুন্দর মসজিদ’ আখ্যা দিয়েছিলেন। 

বিভিন্ন সময়ে মসজিদটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দখলের মতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। ১০৩৩ সালে ভূমিকম্পে এর মিনার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১১৪৯ সালে ক্রুসেডাররা মসজিদটিকে গির্জা বানায়। আইয়ুবিরা এটি উদ্ধার করে।  ১৩ শতকের শুরুর দিকে মামলুক শাসকরা  মসজিদটির পুনর্নির্মাণ করে। ১২৬০ সালে মঙ্গোলরা ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে মসজিদটি ক্ষতিগ্রস্ত করে। ১৩ শতকের শেষের দিকে আরেকবার ভূমিকম্প আঘাত হানে এই মসজিদে।

ভূমিকম্পের প্রায় ৩০০ বছর পর ১৬ শতকে উসমানীয় শাসকেরা মসজিদের পুনর্নির্মাণ করেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের বোমা হামলায় মসজিদটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ১৯২৫ সালে সুপ্রিম ইসলামিক কাউন্সিল মসজিদটি পুনরুদ্ধার করে। 

সূত্র : আল জাজিরা অ্যারাবিক

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ