সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৫ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
সংসদে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে আলোচনা মঙ্গলবার মাকতাবাতুল ফাতাহর আয়োজনে বৃত্তি প্রদান ও মতবিনিময় সভা কাল জাতীয় সংসদে বিরোধী দলীয় নেতার মুলতবি প্রস্তাব ভালো নেই শহীদ মুগ্ধর বাবা, দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন স্নিগ্ধ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের ১১ নির্দেশনা নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য নয়, সংস্কারের জন্য এসেছি: নাহিদ ইসলাম শিক্ষাখাত ইবাদতখানা, শিক্ষাদান সদকায়ে জারিয়া: শিক্ষামন্ত্রী 'স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আইনের ব্যাখ্যা না দিয়ে সন্ত্রাসীদের বিচারের দিকে নজর দেওয়া দরকার' হাজিরা দিতে গিয়ে কারাগারে আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মী

গাজায় সেনা মোতায়েন করবে ৫ দেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ফিলিস্তিনের গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স বা আইএসএফ) যোগ দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, কাজাখস্তান, কসোভো ও আলবেনিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর বৈঠকে এই ঘোষণা দিয়েছেন নতুন বাহিনীর কমান্ডার মার্কিন সেনাবাহিনীর জেনারেল জ্যাসপার জেফার্স। সূত্র: আলজাজিরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে বোর্ডের বৈঠকে জেনারেল জেফার্স বলেন, এই প্রথম পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা গাজায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করব। তিনি জানান, ইতোমধ্যে ইন্দোনেশিয়া বাহিনীতে ডেপুটি কমান্ডার পদ গ্রহণ করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ঘোষণা করেন, তার দেশ গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ ৮,০০০ সেনা পাঠাবে। প্রাবোও বলেন, এই শান্তি কার্যকর করার জন্য আমরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখব।

কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ত তোকায়েভ জানান, তার দেশ চিকিৎসা ইউনিটসহ একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক সেনা পাঠাবে। মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা বলেছেন, তার দেশ গাজায় পুলিশ কর্মকর্তা মোতায়েনে পূর্ণপ্রস্তুত।

আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ইসরায়েল সফর করেছেন, সেনা পাঠানোর অঙ্গীকার করেছে। প্রতিবেশী দেশ মিসর ও জর্ডান পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে অংশ নেবে বলে জানিয়েছে।

ইন্দোনেশিয়া গাজায় সেনা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া প্রথম দেশগুলোর একটি। দেশটি জোর দিয়ে বলেছে, এই অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য গাজায় আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা । পাশাপাশি ইসরায়েলের চলমান গণহত্যা রোধে সহায়তা করা। ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৭২,০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইএসএফ-এর প্রথম দল হিসেবে ইন্দোনেশিয়ার সেনারা গাজায় পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে, যদিও নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি। বাহিনীটি রাফাহের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থান করবে এবং সেখানে অফিস ও বাসস্থান নির্মাণের কাজ চলছে।

এই উদ্যোগকে গাজায় চলমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নতুন প্রচেষ্টা হিসেবে মনে করছেন গবেষকেরা ।

 এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ