সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬ ।। ১৬ চৈত্র ১৪৩২ ।। ১১ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
মারকাজুশ শাইখ আরশাদ আল-মাদানী ঢাকায় ইফতা বিভাগে ভর্তি চলছে পটিয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আবু তাহের নদভী আর নেই কওমি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিচ্ছে আস-সুন্নাহ, পুরস্কার ৪৫ লক্ষ টাকার স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ফেনীর সব তেল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ ৯ এপ্রিল বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ ছুটি ঘোষণা ভালো থাকিস বন্ধু ‎প্রাণের সিকান্দার! মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে মাওলানা শাহ তৈয়্যেব আশরাফের বহুমুখী খেদমত কেন শিক্ষকতা বিমুখ হচ্ছেন মেধাবী কওমি তরুণরা? নারায়ণগঞ্জের জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম বাগে জান্নাতে ভর্তি কার্যক্রম চলছে

খুতবা না শুনলে জুমার নামাজ আদায় হবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

প্রশ্ন: অনেক সময় আমার জুমার জন্য প্রস্তুত হয়ে মসজিদে যেতে বেশ দেরি হয়ে যায়। গত শুক্রবার প্রস্তুত হয়ে মসজিদে গিয়ে দেখি খুতবা শেষ হয়ে গেছে। নামাজের ইকামত হচ্ছে। আমরা  তো জানি যে, জুমার জন্য খুতবা শর্ত। খুতবা ছাড়া জুমার নামাজ সহিহ হয় না।

তাই এখন আমার জানার বিষয় হল, খুতবা ছাড়া আমার জুমার নামাজ কি সহিহ হয়েছে?

উত্তর: জুমার জামাত সহিহ হওয়ার জন্য খুতবা দেওয়া শর্ত। তবে কোনো মুক্তাদি খুতবা শ্রবণ করতে না পারলে তার জুমার নামাজ সহিহ হবে না -এমন নয়। সুতরাং আপনার এই জুমার নামাজ সহিহ হয়েছে।

উল্লেখ্য, জুমার দিন আগে আগে মসজিদে গমন করা উচিত। বিশেষত আজানের পর অন্য কোনো কাজে লিপ্ত না হয়ে সরাসরি নামাজের প্রস্তুতি নিয়ে মসজিদে চলে যাওয়া এবং খুতবা শ্রবণ করা কর্তব্য।

আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন- ‘হে মুমিনগণ! জুমার দিন যখন নামাজের জন্য ডাকা হয়, তখন আল্লাহর জিকিরের দিকে ধাবিত হও এবং বেচা-কেনা ছেড়ে দাও। এটাই তোমাদের জন্য শ্রেয়, যদি তোমরা বোঝ। (সূরা জুমুআ: ৯)

রাসুল সা. একটি হাদিসে বলেছেন, মুমিনের জন্য জুমার দিন হলো সাপ্তাহিক ঈদের দিন।(ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বর ১০৯৮)।

মহানবী সা. আরো ইরশাদ করেছেন, জুমার দিন দোয়া কবুল হওয়ার একটি সময় আছে , কোনো মুসলিম যদি সেই সময়টা পায়, আর তখন যদি সে নামাজে থাকে, তাহলে তার যেকোনো কল্যাণ কামনা আল্লাহ পূরণ করেন। (বুখারি, হাদিস নম্বর ৬৪০০)

জুমার দিনের বিশেষ আমল

রাসুল সা. এরশাদ করেন, তোমরা জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো, কেননা তোমাদের পাঠকৃত দরুদ আমার সামনে পেশ করা হয়। (আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ১০৪৭)।

এমনিতেই তিরমিজি শরিফের হাদিস অনুযায়ী আমরা জানতে পারি, যে ব্যক্তি দরুদ পাঠ করে আল্লাহ তার ওপর ১০টি রহমত নাযিল করবেন। সুতরাং আমাদের জুমার দিন অন্যান্য আমলের সাথে সাথে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে হবে।

জুমার গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিবেচনা করে প্রতিটি মুসলিমের উচিত এই দিনটিকে কাজে লাগানো।

ফাতহুল কাদীর ২/২৮; ইমদাদুল ফাততাহ পৃ. ৫৫৮; রদ্দুল মুহতার ২/১৪৭

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ