বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ।। ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৫ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী লাইসেন্স বাতিলের প্রতিবাদে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীর স্বজনদের বিক্ষোভ বিতর্কিত শিবমূর্তি অপসারণের দাবিতে রাজধানীতে খেলাফত আন্দোলনের বিক্ষোভ সাবেক এমপি বাহারের বক্তব্যের প্রতিবাদ, দেশে এনে বিচারের দাবি আলেমদের প্রস্তাবিত বাজেট ঋণনির্ভর ও উচ্চাভিলাসী: খেলাফত মজলিস আশাবাদে ভারাক্রান্ত সুলিখিত বাজেট, বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ: ইসলামী আন্দোলন কুমিল্লা ও নগরকান্দায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রশিক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত হিল্লার নামে ‘পাতানো বিয়ে’ কবিরা গুনাহ: মাওলানা আজহারী বৃহৎ রামমূর্তি নির্মাণ নিয়ে উদ্বেগ, দ্রুত অপসারণ চান পীর সাহেব মধুপুর আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার চায় ইসলামী আন্দোলন

নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশন ওয়াদাবদ্ধ: সিইসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সব রাজনৈতিক দলকে সহযোগিতা ও আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, একটি সুন্দর সুষ্ঠু নির্বাচন সব দলেরই অঙ্গীকার, আর নির্বাচন কমিশনও দেশের মানুষকে সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) নির্বাচন ভবনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপকালে এসব কথা বলেন সিইসি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কমিশনের প্রত্যাশা, সব দল এই বিধি মানতে তাদের অঙ্গীকার বজায় রাখবে। তাঁর মতে, সুষ্ঠু ভোটের জন্য আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা জরুরি, যার প্রাথমিক শর্ত আচরণবিধি মেনে চলা।

সিইসি মনে করেন, নির্বাচন সফল করার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা আরও বড়। তিনি বলেন, দলগুলো আন্তরিকভাবে কাজ করলে কমিশনকে বাড়তি চাপ নিতে হয় না। ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা চান এবং আশা প্রকাশ করেন দলগুলো তাদের কর্মীদের মাধ্যমে ভোটারদের উৎসাহিত করবে।

তিনি জানান, শপথ নেওয়ার পর থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছিল। তবে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের (ইআরএসসি) কাজ চলমান থাকায় পূর্ণাঙ্গ সংলাপ শুরু করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। কমিশনের কাজ শেষ হওয়ার পরই এই আলোচনা শুরু করা হয়েছে। তাঁর ভাষায়, শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, সব রাজনৈতিক দলই জাতির কাছে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ও দলগুলোর মতামত পর্যালোচনার ভিত্তিতে আচরণবিধি চূড়ান্ত করা হয়েছে বলেও জানান সিইসি। তিনি বলেন, আচরণবিধি তৈরি করা বড় কাজ নয়, মূল বিষয় হলো এর যথাযথ প্রতিপালন।

গত ১০–১৫ বছরে ভোটারদের মধ্যে যে ভোট-বিমুখতা তৈরি হয়েছে, তা কাটাতে রাজনৈতিক নেতাদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান সিইসি। তিনি বলেন, জাতীয় নেতৃবৃন্দ ও তৃণমূলের সঙ্গে যারা সরাসরি যুক্ত, তাদের ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে ভূমিকা রাখতে হবে। এতে মানুষ ব্যাপকভাবে ভোটকেন্দ্রে আসবে বলে তিনি আশা করেন।

সিইসি আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল ও তাদের প্রার্থীরাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। অতীতেও এমন নজির রয়েছে। কীভাবে রাজনৈতিক দল, ভোটার, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করে জাতিকে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে পারে—সে লক্ষ্যে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ