বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী শুক্রবার ঢাকায় আসবেন ভারতের নতুন হাইকমিশনার ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জুড়তে লেবাননের প্রতি হিজবুল্লাহর আহ্বান ১৭ হাজার ৩৩ কোটি টাকার জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অনশন অব্যাহত রাখবেন ইবতেদায়ী শিক্ষকরা

৫ নভেম্বর মহাসম্মেলনে বক্তব্য প্রদানে মাওলানা শরীফ মুহাম্মদের পরামর্শ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

দাওয়াত ও তাবলীগ, মাদারেসে কওমিয়া এবং দ্বীনের হেফজতের লক্ষে কাল মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের বিশিষ্ট উলামা-মাশায়েখের উদ্যোগে ‘ইসলামী মহাসম্মেলন’।

কালকের মহাসম্মেলন সফল করতে আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ আলেমগণ। ইতোমধ্যে সোহরাওয়ার্দী ময়দান মহাসম্মেলনের জন্য প্রস্তুত হয়েছে বলে জানা গেছে। আগামীকাল লোকে লোকারণ্য হবে ধারণা করা হচ্ছে।   

এদিকে ৫ নভেম্বর মহাসম্মেলনে বক্তব্য প্রদানে বিশিষ্ট লেখক-গবেষক সুসাহিত্যিক, আলোচক মাওলানা শরীফ মুহাম্মদ (হাফিজাহুল্লাহু) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডির পোস্টে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল:


ইসলামী অঙ্গন কিংবা আলেম-ওলামাদের জগতের গুরুত্বপূর্ণ সবকিছু আমার জানতে হবে অথবা বুঝতে হবে, এটা জরুরি না। ৫ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশ সম্পর্কেও আমি তেমন কিছু জানি না। বড় আলেমদের বড় একটি অংশ আহবান করেছেন, উপস্থিত থাকবেন, ব্যাস এটা ঠিক আছে। শুধু একটা অনুরোধ, বক্তব্যের সময় হুংকার দেবেন না, অযাচিত এবং উত্তেজনাপূর্ণ কথাবার্তা বলবেন না। মূল কথাগুলো, দরকারি পয়েন্টগুলো স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরবেন। যারা হুংকার-উত্তেজনা ছাড়া কথা বলতে পারেন না, তারা লিখিত নোট দেখে দেখে পড়বেন এবং বাকি সময় জিকির করবেন।

আল্লাহর ওয়াস্তে সময়, পরিস্থিতি, শত্রুতা-মিত্রতার পরিধি, দেশ-বিদেশের অবস্থা এবং দ্বীনী দাওয়াহর সার্বিক চিত্রটি মাথায় রাখবেন। সত্যের পক্ষে কথা বলা ও অবস্থান তুলে ধরা অবশ্যই জরুরি। পরিমিত স্পষ্ট কঠোর শব্দ উচ্চারণ করতে পারেন, আওয়াজ এবং হাঙ্গামা উচ্চকিত করবেন না। আল্লাহ তাআলা সবকিছু সহজ করুন এবং বিশ্ব দাওয়াতি অঙ্গনকে এক ব্যক্তির হঠকারিতা থেকে মুক্ত করুন।

আমার শব্দ-বাক্যে কেউ কষ্ট নেবেন না। একই জিনিস (অতি আওয়াজ ও উত্তেজনা) বারবার বিপদ ও অগ্রহণযোগ্যতা বয়ে নিয়ে আসে। সতর্ক ও সংযত হলে আমাদেরই কল্যাণ। সতর্কতায় কোনো ক্ষতি নেই।

হাআমা/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ