বুধবার, ১০ জুন ২০২৬ ।। ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ ।। ২৪ জিলহজ ১৪৪৭

শিরোনাম :
ইলমি সংকট নিরসনে মাদরাসা দায়িত্বশীলদের জন্য কিছু কথা ১৮২ কোটি টাকা ব্যয়ে পুলিশের জন্য গাড়ি কিনছে সরকার দেশে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠলো ইরানের কেশম দ্বীপ আপনি গুলি করলে আমরা কি বসে থাকব: বিএসএফ-কে বিজিবি প্রাথমিকে সংগীত, নাট্যকলা, নৃত্যকলা, চারু ও কারুকলা অন্তর্ভুক্ত করছে সরকার প্রশাসনিক কার্যক্রমে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী সারাদেশের সীমান্তে প্রতিবাদী সমাবেশ ও শাহবাগে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক ১১ দলের হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু আদ্-দ্বীনের শোকজের জবাবে সন্তুষ্ট নই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজেকে দাঈ বলা সহজ, হওয়া নয়!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি লুৎফুর রহমান ফরায়েজী

নবী রাসূলগণ দাওয়াত দিতেন। সেই নামে অনেকেই দাওয়াত দেবার দাবি করেন। গর্ব করে বলেন: "কোরআনের দাওয়াত নিয়ে যাচ্ছি অমুক স্থানে"!

কিন্তু আসলে আমারা নবীদের দাওয়াতী আখলাক কী গ্রহণ করতে পেরেছি?

গ্রামের অনেক মাদ্রাসা আছে। যেসব মাদ্রাসাগুলো বছরের বাৎসরিক মাহফিলে হওয়া কালেকশন এবং রমজানের বিশেষ কালেকশনে সারা বছর ব্যায় নির্বাহ করে থাকে।

স্বাভাবিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ চায় এমন বক্তাকে আনতে যার নামে লোকসমাগম বেশি হবে। তাকে সামনে রেখে যেন মাদ্রাসার একটু কালেকশন বেশি হয়।

মূলত এ কারণে প্রতিষ্ঠানের অনেক মোখলেস পরিচালকেরা অনিচ্ছা সত্বেও বদ মেজাজী ভাইরাল বক্তাদের দাওয়াত দিয়ে থাকে।

আল্লামা নুরুল ইসলাম ওলিপুরী দামাত বারাকাতুহুমকে আমি দেখেছি। যখনই হযরতকে বলা হয় যে, হযরত! মাদ্রাসার মাহফিল। এখন একটু কালেকশন হবে। আপনাকে নির্দিষ্ট সময় দিতে পারলাম না, একটু পরে দেব।

হযরত এতে মোটেও বিরক্ত হন না। বলেন "ঠিক আছে যদি মাদ্রাসার কালেকশন হয় তাহলে আমি দেরি করতে রাজি আছি।"

দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের প্রতি এরকম আন্তরিকতা এই মানুষটাকে আমাদের অন্তরের গভীরে জায়গা দিয়েছে।

 বক্তাদের প্রতি অনুরোধ: অন্তত গ্রামের মাদ্রাসাগুলোর মাহফিল এর ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার মানসিকতা রাখুন। আল্লাহ তায়ালার কাছে হয়তো এ উসিলায় ক্ষমা পাবার মাধ্যম পেয়ে যেতে পারেন।

লেখক: পরিচালক-তালীমুল ইসলাম ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার ঢাকা

আরএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ