মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পুনঃপরীক্ষার চিন্তা করবে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ৯৮ হাজার টাকায় হজযাত্রীদের পরিবহন করতে চায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স পরীক্ষা স্থগিত ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ভুল দুই প্রশ্নের পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের পক্ষে সই কাতারের সাবেক আমিরের ইন্তেকালে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করলেন আমিরে মজলিস ভারতে মুসলিম কিশোরীকে অপহরণ ও গণধর্ষণ, গ্রেফতার ২ গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু দারুল উলুম মিরপুর-১৩ নম্বরে আল্লামা সাজ্জাদ নোমানীর  বয়ান বুধবার বৃষ্টি-সম্ভাবনা নিয়ে নতুন আবহাওয়া বার্তা

খাড়গেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান মমতা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি : সংগৃহীত

কংগ্রেসের নেতৃত্বে বিজেপি-মোদি বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ গঠিত হয়েছে। জোট গঠন হলেও সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে আসন বণ্টন সমঝোতা না থাকায় কোনো উপকার পায়নি ‘ইন্ডিয়া’। জোট গঠনের শুরু থেকেই আরেকটি প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছিল, সেটি হলো বিরোধীদের এই জোট জিতলে কাকে  প্রধানমন্ত্রী করবে? নির্বাচনে কাকে তারা প্রধানমন্ত্রী-মুখ হিসেবে জনতার কাছে তুলে ধরে ভোট চাইবে? জোটের প্রধান কে, কাকে প্রধানমন্ত্রী পদে তুলে ধরা হবে এসব প্রশ্ন বরাবরই সাবধানতার সঙ্গে এড়িয়ে গেছে ইন্ডিয়ার শীর্ষস্থানীয়রা। তবে মঙ্গলবার দিল্লিতে ইন্ডিয়ার চতুর্থ বৈঠকে জোটের প্রধানমন্ত্রী মুখ হিসেবে কংগ্রেস সভাপতি খাড়গের নাম প্রস্তাব করে বসেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।   


সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানান আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, বলেন দেশকে প্রথম দলিত প্রধানমন্ত্রী উপহার দেওয়ার সুযোগ এসেছে। তার সদ্ব্যবহার করা উচিত।

অবশ্য এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কোনো আলোচনা হয়নি। কারণ খাড়গে নিজেই প্রধানমন্ত্রী নিয়ে আলোচনার আগে আসন্ন ভোটে জিতে আসাকেই সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ, এ মন্তব্য করেছেন। তার মতে, বৃহত্তর লক্ষ্য হচ্ছে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে ইন্ডিয়া জোটের জয়, এরপর গণতান্ত্রিকভাবে জোটের প্রধান নেতৃত্ব তথা প্রধানমন্ত্রী ঠিক করা যাবে। 

পশ্চিমবঙ্গের সংবাদমাধ্যম এইসময়ের প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবারের বৈঠকে মোট ২৮টি বিরোধী দলের রাজনৈতিক নেতারা অংশ নেন। সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে মত দিয়েছেন প্রায় সকলেই।

বিষয়টি নিয়েসংবাদমাধ্যমের সামনে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, 'আমাদের লক্ষ্য জেতা। আমাদের চিন্তা কেবলমাত্র সেটা নিয়েই। আগে আমরা জেতার চেষ্টা করব। প্রথমে সবাইকে জিতে আসতে হবে। হাতে সংসদ সদস্যরা না থাকলে প্রধানমন্ত্রী হবে কী করে।'

এই বৈঠকের একটা বড় আকর্ষণ ছিল জোট শরিকদের মধ্যে আসন সমঝোতার জট ছাড়াতে কী প্রস্তাব গৃহীত হয় তা। তৃণমূল সূত্রে জানা যায়, মমতা প্রস্তাব করেন ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই আসন ভাগাভাগির পাট চুকিয়ে ফেলা হোক। সেই প্রস্তাব সমর্থন করেন কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদব, উদ্ধব ঠাকরেরাও। এ বিষয়ে খাড়গে বলেন, আসন ভাগাভাগি নিয়ে রাজ্যে রাজ্যে নেতারা প্রথম আলোচনা করবেন। কোথাও ঠেকে গেলে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তার মীমাংসা করবেন। তিনি বলেন, ‘অনেক রাজ্যে আসন সমঝোতায় কোনো বাধা নেই। যেমন তামিলনাড়ু, কেরালা, বিহার, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, উত্তর প্রদেশ। এসব রাজ্যে কোনো সমস্যা হবে না। বাকি যেমন দিল্লি বা পাঞ্জাবে (পশ্চিমবঙ্গের নাম তিনি নেননি) কেমন বোঝাপড়া হবে, তা–ও পরে ঠিক হয়ে যাবে।’

বৈঠকে ভারতের পার্লামেন্ট থেকে বিরোধীদের গণহারে বরখাস্তের বিষয়টি গুরুত্ব দেন নেতারা। সংসদ থেকে বিরোধীদের বহিষ্কারসহ সরকারের যাবতীয় অগণতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে ২২ ডিসেম্বর সর্বভারতীয় স্তরে বিক্ষোভ সমাবেশ ঘোষণা করেছে ইন্ডিয়া জোট।

এনএ/ 


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ