মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৯৫ শতাংশ মুসলিমের দেশ আজারবাইজানে হিজাব নিষিদ্ধের পাঁয়তারা! ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্কে ড. ইউনূসকে হেনস্তা, ব্যবস্থা নেবে সরকার মাওলানা নাসরুল্লাহ বদরের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জমিয়তের সাইবার আইনে সাংবাদিকদের ভয়ের কোনো কারণ নেই: আইনমন্ত্রী ‘অর্থনৈতিক সংস্কার ও সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকছে আইএমএফ’  নামাজে রাকাতসংখ্যা ভুলে গেলে করণীয় ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হতে হবে বিজ্ঞানভিত্তিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক’ ‘সৌ‌দির পরিস্থিতি ঠিক হলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়া‌ প্রবাসীদের নিয়ে আলোচনা’ পাকিস্তানে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

১৯৭১ সালে ‘ডুবে যাওয়া’ পাকিস্তানের সাবমেরিনের খোঁজ পাওয়ার দাবি ভারতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

১৯৭১ সালে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি পাকিস্তানি সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পাওয়ার দাবি করেছে ভারত। দেশটির নৌবাহিনীর বিশেষ বাহন এই সাবমেরিনকে খুঁজে বের করেছে বলে জানা যায়। 

বিশাখাপত্তনমের খুব কাছেই নাকি এটির খোঁজ পাওয়া গেছে। 

মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যায় পিএনএস গাজি নামের সাবমেরিনটি। সেটির ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেয়েছে ভারতীয় নৌবাহিনী।

১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে তলিয়ে যাওয়া পাকিস্তানি সাবমেরিনটি আগে মার্কিন নৌবহরের অংশ ছিল। মার্কিন সামরিক বাহিনীতে এই ডুবোজাহজটি ইউএসএস ডিবালো নামে ব্যবহার হতো। 

পিএনএস গাজির ধ্বংসাবশেষ বিশাখাপত্তনম থেকে মাত্র ২ থেকে ২.৫ কিলোমিটার দূরে পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। পানির তলায় মাত্র ১০০ মিটার গভীরে এই সাবমেরিনটিকে খুঁজে বের করে ভারতীয় নৌসেনার 'ডিপ সাবমার্জেন্স রেসকিউ ভেহিকেল'।

উল্লেখ্য, ডুবে যাওয়ার সময়ে পাকিস্তানের এই সাবমেরিনে ছিলেন ৯৩ জন নাবিক। যাদের মধ্যে ১১ জন ছিলেন অফিসার। ভারতের পূর্ব উপকূলের কাছে সমুদ্রে মাইন বসানোর জন্যে এই সাবমেরিনকে পাঠানো হয়েছিল। এছাড়া ভারতের বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত ধ্বংস করারও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল পিএনএস গাজিকে। 

১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর পাকিস্তান ছেড়ে ৪ হাজার ৮০০ কি. মি. পথ পাড়ি দিয়ে বিশাখাপত্তনমের কাছে এসে পৌঁছেছিল পিএনএস গাজি। এই সাবমেরিনকে ধ্বংস করতে আইএনএস রাজপুত নামের রণতরীকে মোতায়েন করে ভারত। সমুদ্রে পাকিস্তানি ডুবোজাহাজকে চিহ্নিত করে 'ডেপথ চার্জ'-এর মাধ্যমে সেটিকে ধ্বংস করে ভারতীয় রণতরী। অন্যদিকে পাকিস্তানের দাবি ছিল, দুর্ঘটনার কারণে ধ্বংস হয়ে যায় সেটি।

এনএ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ