বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

নিকাব নিষিদ্ধের বিল পার্লামেন্টে পাস করল পর্তুগাল, গুনতে হবে জরিমানা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নিকাব পরিধান নিষিদ্ধ করতে পর্তুগালের পার্লামেন্টে একটি বিল পাস করা হয়েছে। মূলত অধিকাংশ উন্মুক্ত স্থান বা জনসমক্ষে ‘লিঙ্গভিত্তিক ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে’অতি দক্ষিণপন্থী চেগা পার্টি এ বিল উত্থাপন করেছিল।

শুক্রবার পাস হওয়া বিলটিতে জনসমক্ষে নিকাব পরিধানের জন্য ২০০ থেকে ৪ হাজার ইউরো জরিমানা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কাউকে তা পরিধান করতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। তবে উড়োজাহাজ, কূটনৈতিক প্রাঙ্গণ ও উপাসনালয়ে নিকাব পরিধান করা যাবে।

পর্তুগালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, সাংবিধানিক বিষয়–সম্পর্কিত আইন পর্যালোচনার দায়িত্বে থাকা সংসদীয় কমিটিতে এখন বিলটি নিয়ে আলোচনা হবে।

পর্তুগালের প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো ডি সুজা বিলটিতে ভোটো দিতে পারেন কিংবা আরও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সাংবিধানিক আদালতে পাঠাতে পারেন।

তবে বিলটি শেষ পর্যন্ত আইনে পরিণত হলে পর্তুগালও ইউরোপের সেসব দেশের তালিকায় নাম লেখাবে, যারা জনসমক্ষে নিকাব পরিধানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে- ফ্রান্স, অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম ও নেদারল্যান্ডসে উন্মুক্ত স্থানে নিকাব পরা আংশিক বা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

শুক্রবার পর্তুগাল পার্লামেন্টের অধিবেশনে চেগা পার্টির নেতা আন্দ্রে ভেনচুরা যখন এ বিল উত্থাপন করেন, তখন বামপন্থী দলগুলোর কয়েকজন নারী আইনপ্রণেতা এর বিরোধিতা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মধ্যদক্ষিণপন্থী জোটের সমর্থনে বিলটি পাস হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, পার্লামেন্টে ১০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে দু’টি ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিল। এরা হলো পিপল-অ্যানিমেলস-নেচার পার্টি ও টুগেদার ফর দ্য পিপল পার্টি। দলগুলোর মতে, এ প্রস্তাব বৈষম্য উসকে দিয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স, আল-জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ