মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

২১৫ বছরের প্রাচীন গাম্বারি মসজিদের পুনরায় উদ্বোধন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাইজেরিয়ার কোয়ারা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী ইলোরিনে পুনরায় উদ্বোধন করা হয়েছে ঐতিহাসিক গাম্বারি মসজিদ—যা প্রায় ২১৫ বছর আগে, ১৮০৮ সালে নির্মিত হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

ব্যাপক সংস্কার ও সম্প্রসারণ শেষে মসজিদটিতে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক গ্রন্থাগার এবং নামাজিদের চাপ সামলাতে বাড়ানো হয়েছে স্থাপনার পরিসর। তবে পুরো প্রকল্পজুড়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মূল স্থাপত্য ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে—যেখানে অতীতের রূপ ও আধুনিক সুবিধা মিলেছে সমন্বিতভাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোয়ারা ও বোর্নো অঙ্গরাজ্যের গভর্নর, ইলোরিনের প্রতিনিধিরা এবং কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তামন্ত্রীসহ বহু ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পুনর্গঠন কমিটির চেয়ারম্যান ইদ্রিস আবদুল্লাহ হারুন বলেন, “নতুন গাম্বারি মসজিদ শুধু একটি সংস্কার নয়; এটি আমাদের ঐক্য, ঈমান ও জ্ঞানের আলো বহন করে।” তিনি স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও ঐতিহ্য রক্ষার ভূমিকা স্মরণ করেন।

ইতিহাসবিদদের মতে, গাম্বারি পরিবার দুই শতাব্দীরও বেশি সময় আগে মসজিদটি নির্মাণ করে; তাদের বংশধরেরা এখনও এর রক্ষণাবেক্ষণে যুক্ত। ২০১৮ সালে সরকারি অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিক পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়, যাতে স্থানীয় মুসলিম জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

ইলোরিনের ইমাম শাইখ মুহাম্মদ বাশির সালিহুর বক্তব্যে কোয়ারা–বোর্নো অঙ্গরাজ্যের দীর্ঘকালীন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উঠে আসে। আয়োজকদের মতে, গাম্বারি মসজিদের পুনরায় উদ্বোধন কেবল একটি ঐতিহাসিক স্থাপনার পুনর্জাগরণ নয়—এটি স্থানীয় সমাজে ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ