শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

২১৫ বছরের প্রাচীন গাম্বারি মসজিদের পুনরায় উদ্বোধন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নাইজেরিয়ার কোয়ারা অঙ্গরাজ্যের রাজধানী ইলোরিনে পুনরায় উদ্বোধন করা হয়েছে ঐতিহাসিক গাম্বারি মসজিদ—যা প্রায় ২১৫ বছর আগে, ১৮০৮ সালে নির্মিত হয় এবং দীর্ঘদিন ধরে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

ব্যাপক সংস্কার ও সম্প্রসারণ শেষে মসজিদটিতে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক গ্রন্থাগার এবং নামাজিদের চাপ সামলাতে বাড়ানো হয়েছে স্থাপনার পরিসর। তবে পুরো প্রকল্পজুড়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মূল স্থাপত্য ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে—যেখানে অতীতের রূপ ও আধুনিক সুবিধা মিলেছে সমন্বিতভাবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কোয়ারা ও বোর্নো অঙ্গরাজ্যের গভর্নর, ইলোরিনের প্রতিনিধিরা এবং কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তামন্ত্রীসহ বহু ধর্মীয় ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পুনর্গঠন কমিটির চেয়ারম্যান ইদ্রিস আবদুল্লাহ হারুন বলেন, “নতুন গাম্বারি মসজিদ শুধু একটি সংস্কার নয়; এটি আমাদের ঐক্য, ঈমান ও জ্ঞানের আলো বহন করে।” তিনি স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও ঐতিহ্য রক্ষার ভূমিকা স্মরণ করেন।

ইতিহাসবিদদের মতে, গাম্বারি পরিবার দুই শতাব্দীরও বেশি সময় আগে মসজিদটি নির্মাণ করে; তাদের বংশধরেরা এখনও এর রক্ষণাবেক্ষণে যুক্ত। ২০১৮ সালে সরকারি অনুমোদনের পর আনুষ্ঠানিক পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়, যাতে স্থানীয় মুসলিম জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল।

ইলোরিনের ইমাম শাইখ মুহাম্মদ বাশির সালিহুর বক্তব্যে কোয়ারা–বোর্নো অঙ্গরাজ্যের দীর্ঘকালীন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উঠে আসে। আয়োজকদের মতে, গাম্বারি মসজিদের পুনরায় উদ্বোধন কেবল একটি ঐতিহাসিক স্থাপনার পুনর্জাগরণ নয়—এটি স্থানীয় সমাজে ইসলামি শিক্ষা ও সংস্কৃতির ধারাকে আরও সুদৃঢ় করবে।

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ