মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে কাল বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ইকরা হবিগঞ্জের ফল উৎসব উদযাপিত 

পাকিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা: নতুন বাণিজ্য রুট খুঁজছে আফগানিস্তান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

পাকিস্তানের সঙ্গে প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর দুই দেশের সম্পর্ক গত কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থায় পৌঁছেছে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে সীমান্তের দুই পাশের মানুষের জীবন ও বাণিজ্যে। এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তান এখন বাণিজ্যিক নির্ভরতা কমাতে নতুন রুটের সন্ধানে নেমেছে।

২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর থেকেই কাবুল–ইসলামাবাদ সম্পর্ক ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে হামলা চালানো জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে—যা তালেবান সরকার বারবার অস্বীকার করেছে। গত সপ্তাহে আফগানিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী (অর্থনৈতিক বিষয়ক) আব্দুল গনি বারাদর ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বলেন, পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিকল্প রুট ব্যবহার করতে হবে।

পাকিস্তান আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্য অংশীদার। দেশটি কাবুলে চাল, ওষুধ ও বিভিন্ন কাঁচামাল সরবরাহ করে; পাশাপাশি ২০২৪ সালে আফগানিস্তানের মোট রপ্তানির প্রায় ৪৫ শতাংশ আমদানি করেছে। তবে গত ১২ অক্টোবরের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনা ও সীমান্ত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। সীমান্তে ডজনখানেক আফগান ট্রাক পণ্যসহ আটকে পড়ে।

পরে নাজুক এক যুদ্ধবিরতি হলেও ক্ষতি কমেনি। পাকিস্তান–আফগানিস্তান জয়েন্ট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি জানায়, দুই দেশের সম্মিলিত ক্ষতি ১০ কোটি ডলারেরও বেশি, এবং প্রায় ২৫ হাজার সীমান্তকর্মী এতে সরাসরি প্রভাবিত হয়েছেন। বারাদর সতর্ক করে বলেন—ব্যবসায়ীরা যদি পাকিস্তানের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে না পারেন, তবে সরকার তাদের কোনো সহায়তা দিতে পারবে না।

নতুন করে কোনো অস্থিরতা এড়াতে তালেবান সরকার এখন বাণিজ্য রুটের বিকল্প হিসেবে ইরান, মধ্য এশিয়া—এমনকি আরও দূরবর্তী অঞ্চলগুলোর দিকেও নজর দিচ্ছে।

সূত্র: এএফপি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ