মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

আল-আকসার ৪৮ বছরের মুয়াজ্জিনের ইন্তেকাল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

পবিত্র মসজিদুল আকসার প্রবীণ মুয়াজ্জিন ও কারী শায়খ নাজি আল-কাজ্জাজ ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। টানা ৪৮ বছর ধরে তিনি এই ঐতিহাসিক মসজিদে আজান দিয়ে আসছিলেন।

গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। রোববার (১৯ এপ্রিল) অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে শত শত ফিলিস্তিনির উপস্থিতিতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার নামাজ মসজিদুল আকসা প্রাঙ্গণে আদায় করা হয়। পরে তাকে জেরুজালেমের একটি স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

ফিলিস্তিনি সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, শায়খ নাজি আল কাজ্জাজ ছিলেন মসজিদুল আকসার অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় মুয়াজ্জিন। ১৯৭৮ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এখানে আজান দেওয়া শুরু করেন। এরপর টানা চার দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত আজানের পাশাপাশি সুমধুর কণ্ঠে কোরআন তেলাওয়াত করে তিনি জেরুজালেমবাসীর হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নেন।

জেরুজালেমের বিখ্যাত কাজ্জাজ পরিবার শত শত বছর ধরে মসজিদুল আকসায় আজান দেওয়ার ঐতিহ্য বহন করে আসছে। শায়খ নাজি আল-কাজ্জাজ ছিলেন সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উত্তরাধিকারী। বর্তমানে তার ছেলে ফেরাস আল-কাজ্জাজও এই পবিত্র দায়িত্ব পালন করছেন।

তার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মিসরের ধর্মমন্ত্রী ওসামা আল-আজহারি। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, শায়খ নাজি আল-কাজ্জাজের সুমধুর কণ্ঠ দশকের পর দশক ধরে জেরুজালেমবাসীর হৃদয়ে আধ্যাত্মিক প্রশান্তি জুগিয়েছে। তিনি ছিলেন একনিষ্ঠতা ও নিবেদিত প্রাণের অনন্য উদাহরণ এবং তার কণ্ঠ আল-আকসার ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে থাকবে।

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ