মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুর্নীতি ও অদক্ষতার কারণেই প্রধান শহরগুলো ডুবছে: পীর সাহেব চরমোনাই উচ্চারণ ও উপস্থাপনা কোর্সে ১০০ জন মাদরাসা শিক্ষার্থী পাবেন বিশেষ স্কলারশিপ মসজিদে নববিতে বিশেষ দারস দেবেন শায়খ আস-সুদাইস বন্যায় এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের খুলনা বিভাগীয় কওমি মাদরাসা পরিষদের নেতৃত্বে মাওলানা মুশতাক ও নাসীরুল্লাহ বন্যার পানিতে ডুবে পটিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীর মৃত্যু মডেল মসজিদ প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ বাংলাদেশি হাজিদের খরচ কমাতে সৌদি আরবের সহযোগিতা কামনা জলাবদ্ধতা ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে ছুটি বাড়ল জামেয়া দারুল মাআরিফের ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩২৭

ইন্দোনেশিয়ার সমান হতে যাচ্ছে ভারতের মুসলিম জনসংখ্যা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ভারতের নতুন আদমশুমারির তথ্য প্রকাশের পর দেশটির মুসলিম জনসংখ্যা বিশ্বের সর্বাধিক মুসলিম অধ্যুষিত দেশ ইন্দোনেশিয়ার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তার এ বক্তব্য দেশটির রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে কিরেন রিজিজু বলেন, ভারতের মুসলিম জনসংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং নতুন আদমশুমারির পরিসংখ্যানে সেই বাস্তবতা আরও স্পষ্টভাবে উঠে আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে মুসলিম জনসংখ্যার দিক থেকে ভারত বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ এবং ভবিষ্যতে সেই সংখ্যা ইন্দোনেশিয়ার সমপর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের বহু দেশ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিয়ে নানা সংকটে থাকলেও ভারতে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করছে। এ সময় তিনি ভারতের বহুত্ববাদী সমাজব্যবস্থা ও সাংবিধানিক কাঠামোর কথাও তুলে ধরেন।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ২০ কোটিরও বেশি। দীর্ঘদিন ধরে দেশটির আদমশুমারি কার্যক্রম বিলম্বিত হওয়ায় হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ হয়নি। তবে নতুন আদমশুমারির পর মুসলিম জনসংখ্যার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যার দেশ ইন্দোনেশিয়া। এরপর রয়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত। ভারতের মোট জনসংখ্যা বিপুল হওয়ায় দেশটিতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যাও দ্রুত বাড়ছে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।

কিরেন রিজিজুর এই মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ এটিকে ভারতের ধর্মীয় বৈচিত্র্যের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মন্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করছেন।

সূত্র: দ্য হিন্দু

আইও/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ